India Unemployment Rate: কমে গেল ভারতের দারিদ্র্যের হার, কোন পথে সাফল্য, বড় তথ্য প্রকাশ বিশ্ব ব্যাঙ্কের
দিল্লি: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে আমাদের দেশে। তার মধ্যে অন্যতম দারিদ্রের চিত্র। সম্প্রতি, ভারতের দারিদ্রতা ও কর্মসংস্থান নিয়ে বড় তথ্য প্রকাশ করল বিশ্বব্যাঙ্ক। ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে দারিদ্রতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। অক্টোবর ২০২৬-এর ‘দারিদ্র ও সমতা বিষয়ক সংক

দিল্লি: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে আমাদের দেশে। তার মধ্যে অন্যতম দারিদ্রের চিত্র। সম্প্রতি, ভারতের দারিদ্রতা ও কর্মসংস্থান নিয়ে বড় তথ্য প্রকাশ করল বিশ্বব্যাঙ্ক। ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে দারিদ্রতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। অক্টোবর ২০২৬-এর ‘দারিদ্র ও সমতা বিষয়ক সংক্ষিপ্ত বিবরণ’ অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতের প্রায় ৪৯.৬ কোটি মানুষ দারিদ্রতা থেকে মুক্ত হয়েছেন। এই সময়কালে, চরম দারিদ্রের মধ্যে বসবাসকারী মানুষের হারও ২৭.১% থেকে কমে ২.৬%-এ নেমে এসেছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ২০২১ সালের পিপিপি-এর (Purchasing power parity) তথ্য অনুযায়ী, দৈনিক ৪.২০ ডলার (প্রায় ৩৫০ টাকা) নিম্ন-মধ্য আয়ের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী ভারতীয়দের অনুপাতও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। যা ৫৭.৭% থেকে কমে ১৬.১%-এ এসে দাঁড়িয়েছে। এর অর্থ হলো, দেশের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যা এখন এই আয়ের সীমা অতিক্রম করেছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কে জানিয়েছে যে,ভারত দারিদ্র সীমার নিচে এবং দরিদ্র সীমার উপরে, উভয় দিকেই উন্নতি করেছে। এর অর্থ হল, মানুষের হাতে এখন যেমন বেশি টাকা আছে, তেমনি মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার সুযোগও বেড়েছে, যার ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।এই হ্রাসের পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো দৈনিক মজুরির উন্নতি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি (বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে) এবং খাদ্যদ্রব্যের ওপর সরকারি ভর্তুকিসহ অন্যান্য সামাজিক সহায়তার পরিধি বৃদ্ধি।আরও পড়ুন - মুছে যাবে ভারতের দারিদ্রতা ! কত সালের মধ্যে ? বড় তথ্য প্রকাশ বিশ্ব ব্যাঙ্কেরদারিদ্র হ্রাসের পেছনে কী কারণ বলছে বিশ্বব্যাঙ্ক ? বিশ্বব্যাঙ্ক তার প্রতিবেদনে দারিদ্রতা হ্রাসের কারণগুলো প্রকাশ করেছে । প্রতিবেদন অনুসারে, দারিদ্রতা হ্রাসের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতে আনুমানিক ১৩৪ মিলিয়ন মানুষ কর্মসংস্থান পেয়েছেন। এই সংখ্যাটি একই সময়ের পূর্ববর্তী পরিসংখ্যানের প্রায় দ্বিগুণ। এতে গ্রামীণ মহিলার একটি বড় ও প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন। আগে মহিলার বাড়িতে থাকতেন, কিন্তু বর্তমানে মহিলার এখন উপার্জন হয় এমন কাজে নিজেকে নিযুক্ত করেছেন। এর ফলে পরিবারে উপার্জনকারী সদস্যের সংখ্যা বেড়েছে এবং সংসারের খরচ মেটাতে সাহায্য করছেন তাঁরা।বাড়ছে বেকারত্ব - তবে এই সংখ্যাটা আরও কমে যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাঙ্কের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দৈনিক ৪.২০ মার্কিন ডলারের একটি ন্যূনতম আয়ের ভিত্তিতে দারিদ্র্যের হার ২০২৬ সালের ১৪.২% থেকে কমে ২০২৮ সালের মধ্যে ১২.১%-এ নেমে আসতে পারে। কিন্তু কর্মসংস্থান নিয়ে ভয়ঙ্কর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়লেও যুব সমাজের মধ্যে বেকারত্বের হারও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের (FY26) প্রথম ত্রৈমাসিকে বেকারত্বের হার ছিল ১৪.৬%। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের (FY27) প্রথম ত্রৈমাসিকে তা বেড়ে হয়েছে ১৫.৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ও খারাপ প্রভাব পড়েছে গ্রামীণ এলাকার তরুণীদের উপর। যারা কাজ খুঁজছেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন না।