Kalighat TMC 21 July: শুধুই কি অসুস্থতা ? মমতার ২১-এর মঞ্চে কেন নেই সাহিত্য়িক আবুল বাশার ? মুখ খুললেন সাক্ষাৎকারে
কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা: তৃণমূল জমানায় প্রতি বছরই ২১ জুলাইয়ের শহিদ তর্পণের মঞ্চে দেখা যেত টালিগঞ্জের কলাকুশলী থেকে বিদ্বজ্জনদের। তৃণমূল ক্ষমতা থেকে যেতেই, এবার একুশের মঞ্চ থেকে উধাও তাঁরা। কেউ দিলেন অসুস্থতার কারণ, কেউ বললেন রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কথা। অনেকে আবার কিছু বলতেই চাইলেন না। [yt]https:

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা: তৃণমূল জমানায় প্রতি বছরই ২১ জুলাইয়ের শহিদ তর্পণের মঞ্চে দেখা যেত টালিগঞ্জের কলাকুশলী থেকে বিদ্বজ্জনদের। তৃণমূল ক্ষমতা থেকে যেতেই, এবার একুশের মঞ্চ থেকে উধাও তাঁরা। কেউ দিলেন অসুস্থতার কারণ, কেউ বললেন রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কথা। অনেকে আবার কিছু বলতেই চাইলেন না। [yt]https://youtu.be/jyR6s0f9pXQ?si=dNjtVQvlYC4vKCEE[/yt] আরও পড়ুন, সাজানো গোছানো কলকাতার সরকারি হাসপাতাল, অথচ নেই রোগী, কী চলত সেখানে ? স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনে যেতেই যা বেরিয়ে এল.. গত ১৫ বছরের ছবিটা বদলে গেল এক ঝটকায়। ক্ষমতা হারাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে নেই শিল্পী-সেলিব্রিটি-তারকা-অভিনেতা-অভিনেত্রী কেউই। গত বছর অবধি ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে দেখা যেত সাহিত্য়িক আবুল বাশারকে। তিনি এবার অনুপস্থিত। এবিপি আনন্দ: গতবছর পর্যন্ত, একুশে জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে আপনি ছিলেন। আজকের ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে আপনি নেই কেন ? সাহিত্য়িক আবুল বাশার :ব্য়াপারটা হচ্ছে, যেভাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে, আমাকে তো আমন্ত্রণ করেনি। আমাকে তো আমন্ত্রণ করত, তাই যেতাম। দ্বিতীয়ত হল আমার তো শরীর নিজের ভাল নেই। এটাও একটা ঘটনা। লাঠি ধরে হাঁটতে হয়। এবিপি আনন্দ: নিমন্ত্রণ করলে এবার যেতেন? সাহিত্য়িক আবুল বাশার : আমি যেটা অকপটে বলছি, আমি আর রাজনীতির অঙ্গনে যেতে চাইছি না। যেমন সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। প্রতি বছর ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে গান গাইতে দেখা যেত তাঁকে। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ক্ষমতা হারানোর পর এবার তিনি অনুপস্থিত কেন? এবিপি আনন্দ: বিগত দিনে এবং গতবারও একুশে জুলাইয়ের মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের মঞ্চে প্রত্য়েকবার আপনাকে দেখা যায়, গান করেন। এবার আপনি অনুপস্থিত। এটা কেন? সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী: আমি যদি বলি আমাকে বারণ করা হয়েছে? এবিপি আনন্দ: কে করেছেন? সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী: কেউ। মানে ওরকম ভয় দেখানো নয়। বলেছিল, আমার শরীরের কারণেই। আমাকে এত স্ট্রেসটা নিতে বারণ করেছে। ঠিকই করেছে। আমি শারীরিকভাবে অতটা ইয়েটা নিতে পারব না। খুব অনুকূল তো ছিল না পরিবেশটা। ভোর চারটে অবধি তো ভাঙচুর চলেছে। সেখানে সেই জন্য়ই আমাকে বলেছিল, যে না এলেই ভাল হয়। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে আরও যাঁদের প্রায় প্রতিবছর দেখা যেত, তার মধ্য়ে অন্য়তম পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী। এবারের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর শরীরটা খারাপ।শিল্পী শুভাপ্রসন্নর তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেননি। অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্য়ায় এনিয়ে মন্তব্য় থেকে বিরত থেকেছেন। আরেক অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু বিষয়টা জানার পরও মন্তব্য় করেননি। তখন তৃণমূলের সুদিন ছিল। তাই মঞ্চ জুড়ে থাকত সেলিব্রিটিরা। আজ দুর্দিন বলেই মঞ্চ থেকে দূরে তাঁরা?