Lahek Ali Arrested: 'কোনওভাবে কেউ যেন নিজেকে বেশি লায়েক না মনে করে', লাহেক আলির গ্রেফতার প্রসঙ্গে কী বলছেন দেবজিৎ-সুকান্ত
বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : বারুইপুরকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন সিপিএম নেতা, রাজ্য কমিটির সদস্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পূর্বের বাম প্রার্থী লাহেক আলি। তাঁর ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিএনএস- এর ২০টি ধারা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে লাহেক আলির বিরুদ্ধে। যদিও ধৃতের দাবি,

বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : বারুইপুরকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন সিপিএম নেতা, রাজ্য কমিটির সদস্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পূর্বের বাম প্রার্থী লাহেক আলি। তাঁর ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিএনএস- এর ২০টি ধারা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে লাহেক আলির বিরুদ্ধে। যদিও ধৃতের দাবি, সবই মিথ্যে অভিযোগ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব করা হচ্ছে। এই গ্রেফতার প্রসঙ্গে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও বলেছেন, 'রাজনৈতিক উদ্দেশ্য মনোভাব নিয়ে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এই গ্রেফতার করা হয়েছে। গণপিটুনি বা কিছু একটা সেই ঘটনা যখন ঘটেছে, লাহেক আলি তার চাইতে পরে ওখানে পৌঁছেছে।তদন্ত করলেই বোঝা যাবে। ফাঁসাতে হবে। ভয় দেখাতে হবে। তার মতো করে এইসব কাজ করা হয়েছে।' ছেলে গ্রেফতার হতেই রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ নির্মল, আগেই 'ঋতব্রত তৃণমূলে' যাওয়ার 'মরিয়া চেষ্টা', বিপাকে পড়েই এত আয়োজন ? লাহেক আলির গ্রেফতার প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'লাহেক আলি একটা অপরাধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষকে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়েছে এবং গণপিটুনি দিয়ে একজনকে মার্ডার করার ব্যবস্থা করেছে। একজন হিন্দুকে মেরেছে, সে তো গ্রেফতার হবেই। যারা এই ধরনের দাঙ্গা লাগানোর কাজ করবে, তাদেরকে ছাড়া হবে না। আমাদের প্রশাসন ছাড়বে না।' রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র লাহেক আলির গ্রেফতার প্রসঙ্গে বলেছেন, 'লাহেক আলি, সুজনবাবু তার সঙ্গে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, এই তিনজনের বিভিন্ন বক্তব্য এবং সামাজিক মাধ্যমে তাঁরা যা লিখেছিলেন, বলেছিলেন, সেগুলো খতিয়ে দেখা হোক। মানুষ বিচার করবে। সাম্প্রদায়িক হানাহানির বাতাবরণ তৈরি করেছিলেন। সরাসরি হিন্দুদের দায়ী করেছিলেন, তারা নাকি বেছে বেছে মুসলমান মেয়েদের উপর অত্যাচার করেছে। এই ধরনের কথাবার্তা বলেছেন। শুধু তাই নয়, আরএসএস কিংবা বিজেপির মতো রাজনৈতিক বা সামাজিক দল, তারাও নাকি এর মধ্যে ইন্ধন দিয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য বা ইঙ্গিত করেছিলেন। এই আন্দোলনকে তারা রূপ দিয়েছিল রেল ধ্বংসের দিকে। রেল লাইনের উপর বড় বড় লোহার টুকরো, পাথর রাখা হয়েছিল শুধুমাত্র রেল বিপর্যস্ত করার দিকে। এই রকম একটা পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে কথা বলেছিলেন সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি আদালত বলবে। দল সরকারের পাশে রয়েছে। ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের মতো একজন ছেলেকে গণপিটুনিতে মেরে ফেলা হয়েছে। পিটিয়ে খুন করা হয়েছে এই লাহেক আলিদের মতো লোকেদের কথায়, উস্কানিতে মানুষ উত্তেজিত হয়ে এগুলো করেছে। আমরা এর বিরোধিতা আগেও করেছি, এখনও করছি। গণপিটুনিতে যুক্ত সকলের সাজা চাই। প্রয়োজনে ফাঁসি চাই। কোনওভাবে কেউ যেন নিজেকে বেশি লায়েক না মনে করে। কেউ যেন মনে না করে রাজ্যের সংহতি নষ্ট করার অধিকার কারও রয়েছে।'