Madan Mitra: 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়িনি, ওখানে যত দিন যাচ্ছে, হাওয়াটা কমে যাচ্ছে; কেমন একটা দম বন্ধ', ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েই বললেন মদন মিত্র
কলকাতা: শিবির বদলেছেন মদন মিত্র। কালীঘাট ছেড়ে তিনি এসেছেন 'ঋতব্রত তৃণমূলে'। আর এখানে এসেও তিনি বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত তিনি ছাড়েননি। বরং দলের বড় পদগুলো তিনি ছেড়ে দিয়েছেন। এর সঙ্গে যোগ করলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওখানে যত দিন যাচ্ছে, হাওয়াটা নাকি কমে যাচ্ছে। আরও পড়ুন: 'অভিষেক অনেক খারাপ আপন

কলকাতা: শিবির বদলেছেন মদন মিত্র। কালীঘাট ছেড়ে তিনি এসেছেন 'ঋতব্রত তৃণমূলে'। আর এখানে এসেও তিনি বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত তিনি ছাড়েননি। বরং দলের বড় পদগুলো তিনি ছেড়ে দিয়েছেন। এর সঙ্গে যোগ করলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওখানে যত দিন যাচ্ছে, হাওয়াটা নাকি কমে যাচ্ছে। আরও পড়ুন: 'অভিষেক অনেক খারাপ আপনাদের কাছে, বাহানা হয়ে গিয়েছে ওটা', কালীঘাট ত্যাগী নেতা-নেত্রীদের আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদন মিত্র বললেন, "আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়িনি। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হহত যদি তৃণমূলের হাত হয় তাহলে আমি তৃণমূল ছাড়িনি। তৃণমূলের ছিলাম, তৃণমূলে আছি। তৃণমূলে আমার অনেক অলঙ্কার ছিল। কানের গয়না, নাকের নথ, গলার হার; এবং পদগুলো খুব বড় বড় পদ। 'পার্টি জেনারেল সেক্রেটারি', 'চিফ হুইপ'; আমি ছেড়ে দিয়েছি। তবে, ছেড়েও আমার আনন্দ। আহ কী আনন্দ আকাশে বাতাসে। কী খোলা হওয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওখানে যত দিন যাচ্ছে, হাওয়াটা কমে যাচ্ছে। কেমন একটা দম বন্ধ, দরজা বন্ধ, কেন খুলে দিচ্ছেন না? কী করবেন?" পশ্চিমবঙ্গে কী হয়েছে? সেটা দেখার জন্য তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বললেন, ব্যবসায়ীদের একটা তালিকা বানাতে। কামারহাটির বিদয়ক বললেন, "আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলব, আপনি যতবার বিদেশ গিয়েছেন, আপনার সঙ্গে যত ব্যবসায়ী গিয়েছেন, তাঁদের একটা তালিকা বানিয়ে দেখবেন কী হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।" আরও পড়ুন: '...হঠাৎ করে ৫০০ কোটি টাকা ঢুকে গিয়েছে', 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার' নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন কালীঘাট ছেড়ে এলেন মদন মিত্র? কেন শিবির বদলালেন তিনি? স্পষ্ট জানালেন, "আমার ছাড়ার একটাই কারণ, আমরা সোজাসুজি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছিলাম, তুমি এখন কিছুদিনের জন্য ছেড়ে দাও। দায়িত্ব আমাদের দাও। ও বলল, না আমি ছাড়ব না। তো এই যে, ছাড়ব না। এই যে ৪৪০ কোটি, এই যে প্লেন, এই সব কিছু আমদ মুখ পুড়িয়ে দিল। যতবার ও প্লেনে চড়েছে, সেই টাকাটা যদি মাঝারি মাপের বিধায়ক বা নেতৃত্বকে ঘোরাত, অনেক ভাল রেজাল্ট হত। তাগড়া তাগড়া মিছিল করত, অনেক ভাল রেজাল্ট হত।" রাজনীতি যে কত কঠিন, সেটা নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একপ্রকার কটাক্ষ করলেন তিনি। মদন মিত্র বললেন, "কিন্তু কিছু না করে, সব থেকে বড় কথা হচ্ছে, অভিষেক নিশ্চিত ছিল যে ২৫০ সিট নিয়ে ক্ষমতায় আসছে তৃণমূল। রাজনীতি এতটাও সহজ নয়। দুটো ইংরেজি বলতে পারলে আর জিন্স প্যান্ট পরতে পারলে আর গাড়ির মাথায় উঠে বলতে পারলে হয় না।"