Mallikarjun Kharge: 'মোদির বাবাও যাবেন', প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে খাড়গের বিতর্কিত মন্তব্যে তোলপাড়, কেন এই ধরণের বার্তা ?
দিল্লি: পাটনায় কংগ্রেসের একটি সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কড়া ভাষায় বেলাগাম আক্রমণ করেন কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। আর এর পর বিতর্কের ঝড় বয়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। খাড়গে বাপু অডিটোরিয়ামের সেই সভা থেকে বলেন যে, "ভোট চুরি করে ওরা সরকার চুরি করে নিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, হরিয়ানা, মহারা

দিল্লি: পাটনায় কংগ্রেসের একটি সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কড়া ভাষায় বেলাগাম আক্রমণ করেন কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। আর এর পর বিতর্কের ঝড় বয়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। খাড়গে বাপু অডিটোরিয়ামের সেই সভা থেকে বলেন যে, "ভোট চুরি করে ওরা সরকার চুরি করে নিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র সব জায়গায় চোরেদের সরকার। এই সব চোরেদের বিরুদ্ধে FIR করে তদন্ত করে জেলে পুরতে হবে, এদের জেলে পাঠাব আমরা।'' খাড়গের এই মন্তব্যের হঠাৎ প্রতিবাদ শুরু করেন এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, 'মোদি কোথাও যাবে না'। ওই ব্যক্তির এই মন্তব্যের পর খাড়গে প্রত্যুত্তরে গর্জে উঠে বলেন, "মোদীর বাবাও যাবেন ("মোদী কা বাপ ভি জায়েগা ... বাপ ভি জায়েগা)।" আর এতেই বাধে রাজনৈতিক তরজা। মোদিকে নিয়ে এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ করায় সভার মধ্যেই ওই ব্যক্তিকে মারধর করে কংগ্রেস কর্মীরা। #WATCH | A ruckus broke out during Congress national president Mallikarjun Kharge's address at the 139th birth anniversary celebration of Dr. Shri Krishna Singh in Patna, Bihar A person present at the event said that PM Modi would not go anywhere, Kharge responded, "Modi ka baap bhi jayega." — ANI (@ANI) October 25, 2026 মল্লিকার্জুন খাড়গে সেই সভা থেকে মোদি সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন যে, 'মুদ্রাস্ফীতি এখন তুঙ্গে। পেঁয়াজের দামও বাড়ছে। গরীব মানুষ ডাল-রুটি খায়। ডাল না খেলে পেঁয়াজ-রুটি খায়। আজ পেঁয়াজের দামও বেড়েছে, আর এই মোদি মানুষের গলা কাটছে। যখন সংসদ অধিবেশন চলে, মোদি আর শাহ ভয়ে সংসদে ঢোকেন না। রাহুল গান্ধী বাইরে গেছেন। তিনি নিজের কাজে গেছেন। তিনি ফিরলে এই লোকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই লোকগুলো শুধু রাহুল রাহুল বলে। রাহুল গান্ধী তাদের স্বপ্নেও আসেন।'খাড়গে নীতীশ কুমারকেও একহাত নেন। নীতীশ সম্পর্কে আরও বলেন যে, 'যাঁদের আগে সমাজতান্ত্রিক মানসিকতা ছিল, তাঁরা এখন বিজেপি ও আরএসএস-এর কোলে গিয়ে পড়েছেন। আদর্শ দুর্বল হলে এমনটাই ঘটে। আমরা ত্যাগ স্বীকার করেছি। গান্ধীজিকে হত্যা করা হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। রাজীব গান্ধীকে গুপ্তহত্যা করা হয়েছিল। আমরাই সেই মানুষ যারা মৃত্যুবরণ করি। আজ রাহুল গান্ধী লড়ছেন।'' ১ নভেম্বর জ্ঞানের কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ফের পথে নামছে ইন্ডি জোট। এই কর্মসূচি নিয়ে সভা থেকে কংগ্রেসের কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে খাড়গে বলেন, '' আজ স্বাধীনতার দ্বিতীয় যুদ্ধ, তাই ঘরে বসে থাকলে চলবে না। আপনাদের রাস্তায় নামতে হবে, লড়াই করতে হবে এবং সংগ্রাম করতে হবে। আপনাদের নিজেদের অধিকার রক্ষা করতে হবে এবং সংবিধানকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। গত কয়েকদিনে যা ঘটেছে তা থেকে পরিষ্কার যে, মোদী সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে গভীর আঁতাত রয়েছে। এই সরকার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রক্ষা করার জন্য আইন প্রণয়ন করেছে। এই অসৎ লোকদের সরাতে হবে। তারা গণতন্ত্র নয়, একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছে।'' খাড়গের এই ধরণের বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপিও। বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি খাড়গের এই ধরণের মন্তব্যের কারণ হিসেবে জানান যে, দিল্লিতে আসন্ন সমাবেশে লোকজনের সংখ্যা কম হবে বলে পূর্বাভাস পেয়েছেন, তাই কংগ্রেস হতাশ হয়েছে।