Mamata Banerjee on Annapurna Bhandar: '...হঠাৎ করে ৫০০ কোটি টাকা ঢুকে গিয়েছে', 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার' নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা: ফেসবুক লাইভে এলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে একাধিক বিষয়ে, একাধিক ব্যক্তিকে তিনি নিশানা করলেন। তাঁর মুখে শোনা গেল যখন তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল না তখনের কথা। আবার শোনা গেল তৃণমূলের শাসনকালের কথাও। এই সবের মধ্যেই তিনি তুললেন অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গও। আরও পড়ুন: 'ক

কলকাতা: ফেসবুক লাইভে এলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে একাধিক বিষয়ে, একাধিক ব্যক্তিকে তিনি নিশানা করলেন। তাঁর মুখে শোনা গেল যখন তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল না তখনের কথা। আবার শোনা গেল তৃণমূলের শাসনকালের কথাও। এই সবের মধ্যেই তিনি তুললেন অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গও। আরও পড়ুন: 'ক্যামাক স্ট্রিট দলটাকে শেষ করে দিয়েছে', হতাশা কল্যাণের, 'উনি কোন দিকে আছেন?' প্রশ্ন তুললেন দিলীপ তৃণমূল আমলে শতাধিক সামাজিক প্রকল্প ছিল, এদিন ফেসবুক লাইভ থেকে জানালেন রাজ্যের পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়াও তিনি আঙুল তুললেন কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। অভিযোগ করলেন একাধিক প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে দেওয়ারও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, "আমাদের সারা জীবনই সংগ্রাম করে বাঁচতে হয়েছে। যখন বিরোধী দলে ছিলাম, সংগ্রাম করতাম, মার খেতাম। কিন্তু লড়াই কখনও থামাইনি। যখন আমাদের সরকার ক্ষমতায় ছিল, কেন্দ্রীয় সরকার সব টাকা আমাদের বন্ধ করে দিয়েছিল। তার সত্ত্বেও আমরা কিন্তু প্রায় ১০৫ টা সামাজিক প্রকল্প সাধারণ মানুষের জন্য করেছিলাম। আজ দেখতে হচ্ছে, কেউ খালি ভাত খছে। কারও পাতে একটু ডিম নেই।" এরপরই তিনি বললেন অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও। তিনি বলেন, যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, তাঁদের অনেকের নামও বাদ পড়েছে অন্নপূর্ণা যোজনায়। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, "সংবাদমাধ্যমে যা দেখছি, কারও আবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে হঠাৎ করে ৫০০ কোটি টাকা, ৪০০ কোটি টাকা ঢুকে গিয়েছে। আর কেউ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার একমাস পেয়ে, তারপর আর পাননি। বা অনেকে আছেন যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, আমার ঘরের মা বোনেরা। তাদের প্রায় এক থেকে দেড় কোটি বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।" মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন মিড ডে মিল বা হকার উচ্ছেদ নিয়েও বলেন। কীভাবে প্রাইমারির ড্রপআউট জিরো করে দিয়েছিলেন, সেটাও জানালেন তিনি। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বললেন, "মিড ডে মিল ওয়ার্কারদের, যাঁরা রান্না করত, যাঁরা মিড ডে মিল দেখত, একটা করে ডিম খাওয়ার জন্য ছেলে মেয়েরা ইস্কুলে আসত, পেট ভরে ভাত খেত। কিছু সঙ্গে করে নিয়েও যেত। সেই জন্যই কিন্তু মনে রাখবেন বেঙ্গলে আমরা ড্রপ আউট রেটটা প্রাইমারিতে জিরো করে দিয়েছিলাম। আর আজ সেই ছেলেমেয়েরা ক্ষুধার্ত। হকাররা কিছু করে খেত। তাদের আপনারা কিছু করতে পারেন, না করতে পারেন। আমি জানি কিছু লোক পছন্দ করেন ফাঁকা রাস্তায় হাঁটতে। হাঁটুন না। অনেক রাস্তা আছে। কলকাতায় তো অনেক কিছু হাঁটার জন্য করে দেওয়া হয়েছে। জেলায় জেলায়ও করা হয়েছে।"