MLC Polls Result : ব্যালট পেপারে ভোটের পরেও ৪ রাজ্যে MLC নির্বাচনে খাতাই খুলতে পারল না কংগ্রেস, খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর
নয়াদিল্লি : 'ভোট চুরির' অভিযোগ তুলে সাম্প্রতিক সময়ে কংগ্রেস-সহ বিজেপি বিরোধী দলগুলি প্রায় দিন পথে নেমেছে। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিরোধীরা EVM-এ আপত্তি জানিয়ে ব্যালট পেপার ফি

নয়াদিল্লি : 'ভোট চুরির' অভিযোগ তুলে সাম্প্রতিক সময়ে কংগ্রেস-সহ বিজেপি বিরোধী দলগুলি প্রায় দিন পথে নেমেছে। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিরোধীরা EVM-এ আপত্তি জানিয়ে ব্যালট পেপার ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চার রাজ্যে বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফল বেরিয়ে গেল। যার একটিতেও কংগ্রেস খাতা খুলতে পারেনি। অথচ এই ভোট হয়েছিল ব্যালট পেপারেই। এই আবহে কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, "উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার ও কর্ণাটক- এই চারটি বড় রাজ্যের ২৮টি আসনে এমএলসি (MLC) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যালট পেপার ব্যবহার করে এই নির্বাচন হয়েছে। বলুন তো, কংগ্রেস ক'টি আসনে জয়ী হয়েছে?" এই পোস্টের সঙ্গে একটি emoji-ও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল বলছে, 'এতে কংগ্রেসের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে পড়ল'। MLC elections in 28 seats across 4 big states - Uttar Pradesh, Maharashtra, Bihar and Karnataka. Elections held using ballot papers. Guess how many seats Congress won? 🧐 — Narendra Modi (@narendramodi) October 28, 2026 উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার ও কর্ণাটকে অনুষ্ঠিত এমএলসি (MLC) নির্বাচনে ২৮টি আসনের কোনওটিতেই কংগ্রেস জয়ী হতে না পারার প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য। এই চারটি রাজ্যে মোট ২৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস ১২টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কর্ণাটকে কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও, ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হওয়া সত্ত্বেও তারা তাদের দখলে থাকা চারটি আসনেই হেরে গেছে। ব্যালট পেপার পদ্ধতিতে ফিরে আসার জন্য কংগ্রেসের নতুন করে জোর দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদনের পর। রিপোর্টে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অধীনে ১০ মাসে ১৪টি ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশি ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও আদেশের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিরোধী দলগুলি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) পরিবর্তে ব্যালট পেপার ব্যবহারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষ্য করে জনসভা এবং রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি পেশ-সহ ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই আবহে ব্যালট পেপারের ভোটে হার হল কংগ্রেসের। আইন পরিষদ কী ? এটি 'বিধান পরিষদ' নামেও পরিচিত এবং যেসব রাজ্যে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট রাজ্য আইনসভা রয়েছে, সেখানে এটি উচ্চকক্ষ হিসেবে কাজ করে। ভারতীয় সংবিধানের ১৬৯ নম্বর অনুচ্ছেদে এর প্রতিষ্ঠার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। এর প্রতিটি সদস্যের কার্যকাল ছয় বছর।