Municipal Recruitment Scam: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার স্ক্যানারে এবার মদন মিত্রের পরিবার! কে কে জড়িত ?
কলকাতা : পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে স্ক্যানারে এবার মদন মিত্রের পরিবার। মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই ছেলেকে তলব ED-র। বেশ কিছু নথি-সহ হাজিরার নির্দেশ। ১২৫ জনকে ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে, এমনটাই দাবি ED-র তরফ থেকে। আগে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়কের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ED। দক্ষিণেশ্বর থে

কলকাতা : পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে স্ক্যানারে এবার মদন মিত্রের পরিবার। মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই ছেলেকে তলব ED-র। বেশ কিছু নথি-সহ হাজিরার নির্দেশ। ১২৫ জনকে ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে, এমনটাই দাবি ED-র তরফ থেকে। আগে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়কের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ED। দক্ষিণেশ্বর থেকে ভবানীপুর, মদনের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। পুরনিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছে ইডি। সুজিত বসুর পর পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার নজরে মদন মিত্র! সূত্রের খবর, কামারহাটির তৃণমূল বিধায়কের দুই ছেলে এবং স্ত্রীকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে তাঁদের তলব করা হয়েছে। এই নিয়োগ মামলায় কিছু আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে তদন্তের সময় তাঁদের নাম উঠে এসেছে বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে, সুজিত বসু এবং তাঁর পুত্র সমুদ্র বসুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিটও জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত জুন মাসে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ভবানীপুর এবং কালীঘাটের বাড়িতেও যান ইডির আধিকারিকেরা। কলকাতা সহ মোট সাতটি জায়গায় তল্লাশি চালায়। মদন মিত্রের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর, সন্তোষপুর, জোকা এবং বেলেঘাটাতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। আরও পড়ুন - প্রায় ২৫০ কোটির লেনদেন, কেনা হয় বিপুল সম্পত্তি, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ED-র চার্জশিটে সুজিত বসুর নাম প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সুজিত বসু এবং তাঁর পুত্র সমুদ্র বসুর বিরুদ্ধে আদালতে যে চার্জশিট জমা দেয় তদন্তকারী সংস্থা, তাতে উল্লেখ ছিল, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় চাকরিপ্রাপকদের নাম বেআইনি ভাবে সুপারিশ করার অভিযোগ উঠেছে সুজিতের বিরুদ্ধে। কমবেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। প্রায় ২৫০ কোটির লেনদেন হয়েছে, কেনা হয়েছিল বিপুল সম্পত্তি। ১৮৬ পাতার চার্জশিটে নাম ছিল সুজিত বসু, তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু ও এক আমলার। ED-র দাবি, চাকরির বিক্রির টাকায় সুজিত বসু ও তাঁর পরিবারের নামে কেনা হয়েছে বিপুল সম্পত্তি। ১৮৬ পাতার চার্জশিটের সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল ১২ হাজার ৫০০ পাতার নথি। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছিল, সুজিত বসু একাই ৩৪০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছিলেন। তার মধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন ২৮৪ জন। প্রার্থী পিছু গড়ে ৬ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে।