Nachiketa Chakraborty : কেন ২১-এর মঞ্চে এলেন না নচিকেতা ? কে বারণ করেছে ? জানালেন নিজেই
কলকাতা: তৃণমূলের ২১ জুলাই আর আগের মত নেই। এবছর নজিরবিহীন ভাবে পালিত হচ্ছে তিন পক্ষের শহিদ দিবসের সমাবেশ। তৃণমূল এখন ভেঙে খান খান। এক পক্ষ মমতার দিকে, অন্য পক্ষ ঋতব্রতর দিকে। আর এই ভাঙ্গনের প্রভাব দেখা দিয়েছে শহীদ দিবসের মঞ্চেও। তৃণমূল জমানায় প্রতি বছরই ২১ জুলাইয়ের শহিদ তর্পণের মঞ্চে দেখা যেত টালিগঞ্

কলকাতা: তৃণমূলের ২১ জুলাই আর আগের মত নেই। এবছর নজিরবিহীন ভাবে পালিত হচ্ছে তিন পক্ষের শহিদ দিবসের সমাবেশ। তৃণমূল এখন ভেঙে খান খান। এক পক্ষ মমতার দিকে, অন্য পক্ষ ঋতব্রতর দিকে। আর এই ভাঙ্গনের প্রভাব দেখা দিয়েছে শহীদ দিবসের মঞ্চেও। তৃণমূল জমানায় প্রতি বছরই ২১ জুলাইয়ের শহিদ তর্পণের মঞ্চে দেখা যেত টালিগঞ্জের কলাকুশলী থেকে বিদ্বজ্জনদের। তৃণমূল ক্ষমতা থেকে যেতেই, এবার একুশের মঞ্চ থেকে উধাও তাঁরা। কিন্তু কেন এই অবস্থা ? বিগত বছরগুলোতে তৃণমূলের ২১-এর শহীদ দিবসের সভা মানে সে এক আলাদাই চিত্র। উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার তৃণমূলকর্মী আসতেন কলকাতায়। তাঁদের বিভিন্ন ক্যাম্পে রাতে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হত। কিন্তু এবার চিত্রটা একটু অন্যরকম। রাজনৈতিক পালাবদলের পর ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের সেলিব্রিটিরাও আর মঞ্চ জুড়ে জায়গা দখল করে নেই। তবে কি তাঁর দলের নেতা, বিধায়ক ও সাংসদরা যে ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়েছেন, ঠিক একই ভাবে প্রিয় নায়ক-নায়িকারাও পথ আলাদা করে নিলেন? যারা গতবার ছিলেন, তারাও এড়ালেন হাজিরা। কেউ দিলেন অসুস্থতার কারণ, কেউ বললেন রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কথা। অনেকে আবার কিছু বলতেই চাইলেন না। উপস্থিত থাকা সেলিব্রিটির মধ্যে যে সব সময় পাশে থেকেছেন, সেই সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতাও আজ নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে। প্রতি বছর ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে গান গাইতে দেখা যেত তাঁকে। কিন্তু কেন এই অনুপস্থিতি? এবিপি আনন্দের মুখোমুখি হয়ে জানালেন সেই কারণ। তাঁকে প্রশ্ন করা হয় - প্রশ্ন - বিগত দিনে এবং গতবারও একুশে জুলাইয়ের মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের মঞ্চে প্রত্য়েকবার আপনাকে দেখা যায়, গান করেন। এবার আপনি অনুপস্থিত। এটা কেন? নচিকেতা চক্রবর্তী - ''আমি যদি বলি আমাকে বারণ করা হয়েছে?'' প্রশ্ন - কে করেছেন? নচিকেতা চক্রবর্তী - ''কেউ করেছে। মানে ওরকম ভয় দেখানো নয়। বলেছিল, আমার শরীরের কারণেই। আমাকে এত স্ট্রেসটা নিতে বারণ করেছে। ঠিকই করেছে। আমি শারীরিকভাবে অতটা ইয়েটা নিতে পারব না। খুব অনুকূল তো ছিল না পরিবেশটা। ভোর চারটে অবধি তো ভাঙচুর চলেছে। সেখানে সেই জন্য়ই আমাকে বলেছিল, যে না এলেই ভাল হয়।''