Nana Patekar Death: ফ্লাইটে দেখা, সত্যজিৎ-রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আলোচনা.. নানা পাটেকরকে নিয়ে স্মৃতিচারণা চৈতি ঘোষালের
কলকাতা: প্রয়াত নানা পাটেকর (Nana Patekar)। ৭৫ বছর বয়সে, নিজের গোয়ার বাড়িতে প্রয়াত হয়েছেন অভিনেতা। আজ ভোর ৫.২০ নাগাদ মৃত্যু হয়েছে তাঁর। নিজের বাড়িতে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাঁকে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। ৪৫ মিনিট CPR দিয়েও বাঁচানো যায়নি তাঁকে। অভিনেতার মরদেহ মুম্বই নিয়ে আসা

কলকাতা: প্রয়াত নানা পাটেকর (Nana Patekar)। ৭৫ বছর বয়সে, নিজের গোয়ার বাড়িতে প্রয়াত হয়েছেন অভিনেতা। আজ ভোর ৫.২০ নাগাদ মৃত্যু হয়েছে তাঁর। নিজের বাড়িতে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাঁকে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। ৪৫ মিনিট CPR দিয়েও বাঁচানো যায়নি তাঁকে। অভিনেতার মরদেহ মুম্বই নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। বর্ষীয়ান অভিনেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সিনেদুনিয়া। তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন বহু অভিনেতা অভিনেত্রী। আর নানা পাটেকরের সঙ্গে বহু বছর আগের এক অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন, বাংলার অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল (Chaiti Ghoshal)। নানা পাটেকরের সঙ্গের কথা বলার স্মৃতিচারণা চৈতি ঘোষালের সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন চৈতি ঘোষাল লেখেন, 'দেশের অন্যতম সেরা একজন অভিনেতা। গোয়া থেকে ফেরার সময়ে, একবার ফ্লাইটে ওঁর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। বাংলা ভাষা, সিনেমা, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, এবং মারাঠি ভাষায় নিয়ে ওঁর সঙ্গে অনেক কথা হয়েছিল। কী ভীষণ খুশি হয়েছিলাম সেই কথাবার্তাটা নিয়ে। একবার বাবার পরিচালনায় (শ্যামল ঘোষাল) ওঁর সঙ্গে একটা ছবিতে অভিনয় করার কথা হয়েছিল। চিত্রনাট্যটা পড়ে ওঁর পছন্দ হয়েছিল। তখন ছিল ল্যান্ডফোনের যুগ। উনি আমাদের বাড়িতে ফোন করেছিলেন, ফোনটা আমি তুলেছিলাম। উনি ফোন ধরে বলেছিলেন, 'হ্যালো শ্যামলদা'? আমি ফোন ধরতে বলেছিলাম, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই চিনতে পেরেছিলাম ওঁর গলা। কী অদ্ভুত একটা জোর ওঁর গলায়, কী অদ্ভুত একটা নিজস্বতা রয়েছে। মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল। বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলেন।' নানা পাটেকরের প্রয়াণে হতবাক শেখর সুমন তাঁর প্রয়াণের খবরে শোকস্তদ্ধ চলচ্চিত্র জগৎ। এদিন বর্ষীয়ান অভিনেতার প্রয়াণে শেখর সুমন বলেন, 'ওঁর সঙ্গে এই তো দিন তিনেক আগেই কথা হল। উনি বললেন, হঠাৎ একটা শ্যুটিংয়ের কাজ এসে গিয়েছে। উনি গোয়ায় শ্যুটিং করছেন। সেটা শেষ হলেই, আমার সঙ্গে দেখা করতে আসার কথা ছিল। তারপরেই এই খবর পাচ্ছি, বিশ্বাসই হচ্ছে না আমার। ওঁর যে শরীর খারাপ ছিল, সেটা বুঝতেও পারিনি। উনি তো নিজেও কিছু বলেননি আমায়। হ্যাঁ, এইটুকু জানতাম যে, উনি মুম্বইতে আর থাকছেন না। পুণের কোথাও একটা থাকছেন। এই বিষয়টা নিয়ে আমি ওঁকে জিজ্ঞাসাও করেছিলাম। তখন উনি বলেছিলেন যে, উনি মুম্বইয়ের এই শোরগোল থেকে দূরে থাকতে চান। বলেছিলেন, 'আমি তো কৃষক হয়ে গিয়েছি। এখানে জমিতে চাষ করছি, হাল দিচ্ছি। খোলা আকাশের নিচে থাকি। ভীষণ ভাল লাগে।' এইসবই বলেছিলেন।' আরও পড়ুন: Nana Patekar Demise: 'মুম্বইয়ের শোরগোল থেকে দূরে থাকতে চাই এবার..', শেখর সুমনকে বলেছিলেন নানা পাটেকর