Nana Patekar Demise: থাকতে চাইতেন না মুম্বইতে, পুণেতে তাঁর বাসভবনের কাছেই হবে নানা পাটেকরের শেষকৃত্য
কলকাতা: মুম্বইতে থাকতে ভালবাসতেন না, বন্ধুকে ফোনে বলেছিলেন, দূরে থাকতে চান মায়ানগরীর শোরগোল থেকে। জীবন কাটাতে চান নিজের মতো করে। আজ পুণেতে তাঁর বাড়ির কাছেই শেষকৃত্য হওয়ার কথা, প্রয়াত অভিনেতা নানা পাটেকরের (Nana Patekar)। আজ বিকেল ৫টা নাগাদ পুণের দোনাজে এলাকার নানাচি ওয়াদিতে, নানা পাটেকরের বাসভবনের

কলকাতা: মুম্বইতে থাকতে ভালবাসতেন না, বন্ধুকে ফোনে বলেছিলেন, দূরে থাকতে চান মায়ানগরীর শোরগোল থেকে। জীবন কাটাতে চান নিজের মতো করে। আজ পুণেতে তাঁর বাড়ির কাছেই শেষকৃত্য হওয়ার কথা, প্রয়াত অভিনেতা নানা পাটেকরের (Nana Patekar)। আজ বিকেল ৫টা নাগাদ পুণের দোনাজে এলাকার নানাচি ওয়াদিতে, নানা পাটেকরের বাসভবনের কাছেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। তবে জানা যাচ্ছে, অভিনেতার দেহের ময়নাতদন্ত হবে। তারপরে বিকেলে হবে শেষকৃত্য। পুণেতেই শেষকৃত্য নানা পাটেকরের আজ ভোরে গোয়ার বাড়ি থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্বার করা হয় তাঁকে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে, মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসকেরা ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, প্রয়াত অভিনেতার মরদেহ মুম্বইতে নিয়ে আসা হবে। তবে পরে জানা গিয়েছে, মুম্বই নয়, পুণেতেই শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে নানা পাটেকরকে। আজ সকালে প্রয়াত অভিনেতার বন্ধু শেখর সুমন বলেছেন যে, নানা পাটেকর তাঁকে জানিয়েছিলেন, মুম্বইয়ের শোরগোলের মধ্যে তাঁর আর থাকতে ভাল লাগে না। শ্যুটিংয়ের কাজ তিনি করছেন বটে, কিন্তু পাশাপাশি একেবারে অন্যরকম জীবনযাপন করছেন তিনি। চাষবাসের কাজ করছেন, খোলা আকাশের নিচে সময় কাটাচ্ছেন। আর সেই পুণেতেই শেষকৃত্য হবে বর্ষীয়ান অভিনেতার। নানা পাটেকরের মৃত্যু নিয়ে, কী জানাচ্ছেন চিকিৎসক? নানা পাটেকরকে নিয়ে চিকিৎসক শেখর সালকর বলছেন, 'নানা পাটেকরকে হাসপাতালে মৃত অবস্থাতেই নিয়ে আসা হয়েছিল। সাড়ে চারটের সময়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল তাঁকে। ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। আমরা প্রচুর চেষ্টা করেছিলাম, ওই মুহূর্তে যা যা করা সম্ভব। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে CPR দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। জানা যাচ্ছে, রাত আড়াইটে নাগাদ এক বন্ধুকে ফোন করেছিলেন তিনি, এরপরে মেসেজও পাঠিয়েছিলেন যে, তিনি অসুস্থবোধ করছেন। কিন্তু এতটা রাত হয়ে যাওয়ার কারণে, তিনি ফোন ধরতে পারেননি। মেসেজও দেখেননি। তবে ভোরবেলা নানা পাটেকরের মেসেজ দেখে, তাঁর বাড়ি যান, তাঁর সেই বন্ধু। কারণ শ্যুটিংয়ের কাজেই নানা পাটেকর গোয়া এসেছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে নানা পাটেকরকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপরে কেয়ারটেকারকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। খবর দেওয়ার জন্য এবং অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে আসার জন্য। চিকিৎসক তাঁর বাড়ি গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কার্ডিয়াক ম্যাসাজ দিতে শুরু করেন। সেইভাবেই তাঁকে বাড়ি থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসার পরেও আমরা চেষ্টা করেছিলাম। যা যা সম্ভব, তাই করেছিলাম। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।' আরও পড়ুন: Nana Patekar Death: অসুস্থবোধ করায় ফোন করেছিলেন নানা পাটেকর, গভীর রাত হওয়ায় কথা হয়নি বন্ধুর সঙ্গে