Narendra Modi Airport: নরেন্দ্র মোদীর নামে হবে এই বিমানবন্দরের নাম, নাম বদলের প্রস্তাবে সিলমোহর যোগী আদিত্যনাথের
নয়া দিল্লি: উত্তরপ্রদেশের জেওয়ারে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামে রাখার প্রস্তাবে অনুমোদন দিল যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভা। শুক্রবার, ৯ অক্টোবর লখনউয়ে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। প্রস্তাব

নয়া দিল্লি: উত্তরপ্রদেশের জেওয়ারে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামে রাখার প্রস্তাবে অনুমোদন দিল যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভা। শুক্রবার, ৯ অক্টোবর লখনউয়ে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। প্রস্তাব অনুযায়ী, বিমানবন্দরটির নাম হবে ‘নরেন্দ্র মোদী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, নয়ডা-জেওয়ার’। মুখ্যমন্ত্রী জানান, উত্তরপ্রদেশকে নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। তাঁর বক্তব্য, এই বিমানবন্দর আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশের বৃহত্তম বিমানবন্দর হয়ে উঠবে। পাশাপাশি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমান পরিবহণ কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠবে এটি। প্রধানমন্ত্রীর ২৫ বছরের জনসেবার উল্লেখ সাংবাদিক বৈঠকে যোগী আদিত্যনাথ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যাত্রার কথাও তুলে ধরেন। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর জনসেবার ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি। যোগীর বক্তব্য, জনকল্যাণ, জনসম্পৃক্ততা এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার জেওয়ারে অবস্থিত নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের বিমান পরিবহণ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার কথা। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উপর যাত্রী ও বিমান চলাচলের চাপ কমানোর লক্ষ্যেও এই বিমানবন্দরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে বিমানবন্দরটির যাত্রী পরিষেবার সক্ষমতা বছরে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ যাত্রী। ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের মাধ্যমে এর পরিকাঠামো ও যাত্রী পরিষেবার ক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললেও, চূড়ান্ত নামকরণের ক্ষেত্রে পরবর্তী সরকারি প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ। বিমানবন্দরের নামকরণ বা পুনর্নামকরণের ক্ষেত্রে সাধারণত সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের প্রস্তাবের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন এবং সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।