Narendra Modi: মোদির ভিডিও ডিলিটে ক্ষমা চাইতে হবে মার্ক জ়াকারবার্গকে, নইলে অন্য মামলাতেও রক্ষাকবচ নয়, জানিয়ে দিল সংসদীয় কমিটি
নয়াদিল্লি: পড়ুয়াদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিওবার্তা গায়েব হয়ে গিয়েছিল ফেসবুক থেকে। সেই নিয়ে চাপের মুখে পড়ে ভিডিও ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল ফেসবুকের অভিভাবক সংস্থা Meta. তবে সংস্থা ক্ষমা চাইলে হবে না, Meta-র কর্ণধার মার্ক জ়াকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়ে দিল

নয়াদিল্লি: পড়ুয়াদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিওবার্তা গায়েব হয়ে গিয়েছিল ফেসবুক থেকে। সেই নিয়ে চাপের মুখে পড়ে ভিডিও ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল ফেসবুকের অভিভাবক সংস্থা Meta. তবে সংস্থা ক্ষমা চাইলে হবে না, Meta-র কর্ণধার মার্ক জ়াকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়ে দিল সংসদীয় কমিটি। (Mark Zuckerberg) NEET-এর প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনে উত্তাল হয়েছে গোটা দেশ। সেই আবহেই ফেসবুক লাইভে ছাত্রছাত্রীদের বার্তা দিয়েছিলেন মোদি। কিন্তু Meta-র প্ল্যাটফর্ম থেকে আচমকাই সেই ভিডিও গায়েব হয়ে যায়। সেই নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠলে ওই ভিডিও ফিরিয়ে আনে Meta. জানায়, ভুলবশত ভিডিওটি ডিলিট হয়ে গিয়েছিল। (Narendra Modi) আরও পড়ুন: বাঁকীপুরে বিজয়ী প্রশান্ত কিশোর, প্রথমবার ভোটে লড়েই বিজেপি-র দুর্গে ধস নামালেন কিন্তু তাতেই বিষয়টি মিটে যায়নি। বরং বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের নেতৃত্বে সংসদের যে তথ্যপ্রযুক্তি কমিটি রয়েছে, তাদের বৈঠকে Meta-র ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়। শিশুদের যৌন নিগ্রহ সংক্রান্ত কনটেন্ট নিয়েও প্রশ্ন ওঠে Meta-র ভূমিকায়। আর তাতেই জ়াকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানান নিশিকান্ত। তাঁর বক্তব্য, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও ডিলিট করার জন্য Meta-র প্রধান মার্ক জ়াকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে।” নিশিকান্ত আরও জানান, জ়াকারবার্গ ক্ষমা না চাইলে অন্য মামলাগুলিতেও যাতে তারা ‘নিস্তার না পায়’, তা দেখা হবে। আরও পড়ুন: আরও একা হয়ে যাচ্ছেন মমতা? ‘কালীঘাট তৃণমূল’ থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন আরও একজন? কাকলির মন্তব্যে বাড়ল জল্পনা জ়াকারবার্গ ক্ষমা না চাইলে Meta-কে অন্য মামলায় ‘Safe Harbour’ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নিশিকান্ত। এক্ষেত্রে ‘Safe Harbour’ দেওয়া বলতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং ISP-গুলির জন্য থার্ড পার্টি কনটেন্ট নিয়ে যে আইনি রক্ষাকবচ রয়েছে, তাকে বোঝানো হয়। অন্য ব্যাপারে নিয়ম কানুন মেনে চললে ওই রক্ষাকবচ মেলে। তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত যে সংসদীয় কমিটি রয়েছে, সোমবার তাদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন Google, Meta, YouTube-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের আধিকারিকরাও। সোশ্যাল মিডিয়ায়র নীতি-নিয়ম নিয়েও কথা হয় সেখানে। বৈঠক চলাকালীন বিজেপি-র এক বর্ষীয়ান সাংসদ Meta-কে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেন। জানতে চান, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও সরানোর দায় কে নেবে? ওই সাংসদকে উদ্ধৃত করে তাঁর প্রশ্নগুলি তুলে ধরেছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। সেই অনুযায়ী ওই সাংসদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও ডিলিট করা হল কেন? ফেসবুক অন্য আপত্তিকর কনটেন্ট যেখানে সরায় না, সেক্ষেত্রে ওই ভিডিওটিই কেন সরানো হল প্ল্যাটফর্ম থেকে? এর দায় কে নেবে?” Meta-র তরফে জানানো হয়, ওই ভুলের জন্য ইতিমধ্যেই দুঃখ প্রকাশ করেছে তারা। ক্ষমাও চাওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপি সাংসদ দাবি করেন, শুধু দুঃখপ্রকাশ বা ক্ষমা চাইলেই হল না। দায় নিতে হবে। করতে হবে আইনি পদক্ষেপ। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও এভাবে সরানো গেলে, সাধারণ নেটিজেনদের সুরক্ষা কোথায়, জানতে চান ওই বিজেপি সাংসদ।