Narendra Modi: মোদির ভিডিও ডিলিটের জন্য ক্ষমা চাইতেই হবে মার্ক জ়াকারবার্গকে, তিন দিন সময় দিল সংসদীয় কমিটি
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক লাইভ ডিলিট নিয়ে টানাপোড়েন চরমে। Meta কর্ণধার মার্ক জ়াকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়েছে বিশেষ সংসদীয় কমিটি। ক্ষমা চাওয়ার জন্য তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হল। অন্যথায় মামলা দায়ের হবে বলে জানানো হয়েছে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে নেতৃত্বাধীন

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক লাইভ ডিলিট নিয়ে টানাপোড়েন চরমে। Meta কর্ণধার মার্ক জ়াকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়েছে বিশেষ সংসদীয় কমিটি। ক্ষমা চাওয়ার জন্য তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হল। অন্যথায় মামলা দায়ের হবে বলে জানানো হয়েছে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে নেতৃত্বাধীন সংসদীয় তথ্যপ্রযুক্তি কমিটি জ়াকারবার্গকে তিন দিন সময় দিয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক লাইভ ডিলিট নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে তাঁকে। পাশাপাশি, যে বা যাঁরা গোটা ঘটনার জন্য দায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন: ‘খ্রিস্টানদের উপর আক্রমণ…’, ভারতের সমালোচনা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে হুঁশিয়ারি আমেরিকার কংগ্রেস সদস্যের নিশিকান্ত নেতৃত্বাধীন সংসদীয় তথ্যপ্রযুক্তি কমিটি জানিয়েছে, মোদি বারতের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতিনিধি। তাঁর ভিডিও ডিলিট করে দেওয়ার অর্থ ‘গণতন্ত্রে’র উপর হামলা। জ়াকারবার্গকে ক্ষমা চাইতেই হবে। অন্যথায় দায়ের করা হবে মামলা। যে বা যাঁরা দায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করলে আইনি রক্ষাকবচও মিলবে না। NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলনের সূচনা ঘটে। সেই আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয় ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। সেই আবহেই গত ২৩ জুলাই দেশের যুবসমাজকে ভিডিও বার্তা দিতে ফেসবুক লাইভ করেন মোদি। কিন্তু সেই ভিডিও আচমকাই গায়েব হয়ে যায় ফেসবুক থেকে। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা শুরু হলে, Meta জানায়, ভুলবশত ভিডিওটি ডিলিট হয়ে গিয়েছিল। ভিডিওটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে আবার। আরও পড়ুন: চাঁদের বুকে আছড়ে পড়বে রকেট, ঘটবে তীব্র বিস্ফোরণ, আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই, দেখা যাবে পৃথিবী থেকেও তবে Meta-র সাফাইয়ে সন্তুষ্ট নয় সংসদীয় তথ্যপ্রযুক্তি কমিটি। সংস্থার প্রতিনিধিদের ডেকে ক্ষোভ জানানো হয়। ক্ষমা চাইতে বলা হয় তাঁদের। Meta জানায়, তারা আগেই দুঃখপ্রকাশ করেছে। আবারও ক্ষমা চাইতে রাজি। কিন্তু ওই কমিটি জানায়, Meta নয়, ক্ষমা চাইতে হবে জ়াকারবার্গকে। Meta-র তরফে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা বলা হলেও কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের মনঃপুত হয়নি সেই যুক্তি। শুধু তাই নয়, জ়াকারবার্গ ক্ষমা না চাইলে Meta-কে অন্য মামলায় ‘Safe Harbour’ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি। ‘Safe Harbour’ দেওয়া বলতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং ISP-গুলির জন্য থার্ড পার্টি কনটেন্ট নিয়ে যে আইনি রক্ষাকবচ রয়েছে, তাকে বোঝানো হয়। অন্য ক্ষেত্রে সব নিয়ম কানুন মেনে চললে ওই রক্ষাকবচ পাওয়া যায়। সংসদীয় কমিটির ডাকা ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন Google, Meta, YouTube-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধিরাও।