NCPI in NDA: গতকাল সুদীপ-শুভেন্দু বৈঠক, আজই কি বিজেপির সঙ্গে মিশে যাবে এনসিপিআই?
কলকাতা: বিজেপির সঙ্গে কি এনসিপিআই মিশে যেতে পারে? এই জল্পনা যখন তুঙ্গে সেই সময়ই গত ২৭ জুলাই নবান্নে প্রায় ৪০ মিনিট এনসিপিআইয়ের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ ছাড়াও আর এক এনসিপিআই সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে ফোনে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্

কলকাতা: বিজেপির সঙ্গে কি এনসিপিআই মিশে যেতে পারে? এই জল্পনা যখন তুঙ্গে সেই সময়ই গত ২৭ জুলাই নবান্নে প্রায় ৪০ মিনিট এনসিপিআইয়ের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ ছাড়াও আর এক এনসিপিআই সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে ফোনে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে এখনই দিল্লি যাওয়া সম্ভব নয়, সেই কারণে চাইলে এখন কলকাতায় বৈঠক হতে পারে, এমনই খবর নবান্ন সূত্রে। আরও পড়ুন: আয়কর রিফান্ডের টাকা কতদিনে ঢুকবে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে? কী করলে ঢুকবে তাড়াতাড়ি? আজ বৈঠক রয়েছে এনডিএর। আর কথা ছিল আজই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক হতে পারে NCPI সাংসদদের। যদিও আজ নয়, গতকাল, ২৭ জুলাই রাতেই নবান্নে বৈঠক হল এনসিপিআইয়ের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। এনডিএ-র বৈঠকে থাকার জন্য ডাক পেয়েছে NCPI, এমনই জানিয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিজেপিতে মিশে যাওয়ার জল্পনার মধ্যেই আজকের বৈঠকে যাবেন তাঁরা। সকাল ৯ টা বেজে ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে এই বৈঠক, এখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছেন, মানে তৃণমূলে ছিলেন, সেখান থেকে এনপিআইতে গিয়েছেন। এনপিআই একটা আলাদা রাজনৈতিক দল। তাঁরা কী করবেন, কোথায় মিটিং করবেন, কবে মিটিং করবেন, কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা একেবারেই তাঁদের কালেক্টিভের ব্যাপার। এগুলোর সঙ্গে আমদের কোনও যেহেতু যোগ নেই, তাই এই নিয়ে মাঠ ঘামিয়ে কোনও লাভ নেই। মাথা ঘামানোর প্রয়োজনও নেই।" এনসিপিআইকে 'বিশ্বাসঘাতক' তকমা দিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, "এই কে এনসিপিআই? ২০ জন সংসদ, বিশ্বাসঘাতক। তৃণমূল ও মমতাদির ছবি ব্যবহার করে দল থেকে জিতে তাঁরা দিল্লি গেলেন। এখন তাঁরা এনসিপিআই। বিজেপির কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। বিজেপির সঙ্গেই বৈঠক করছেন, বিজেপির পারপাস সার্ভ করছেন। কত বড় বিশ্বাসঘাতক! কত বড় বিশ্বাসঘাতক! কেউ প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাচ্ছেন, কেউ অমিত শাহজির কাছে যাচ্ছেন। সেখানে তাঁরা তো বিজেপিই হয়ে গিয়েছেন বকলমে। শুধু তৃণমূলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়, প্রত্যকটা ভোটার, যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে এদের জিতিয়েছিলেন, তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, ব্যক্তি স্বার্থে এরা বিজেপির কোলে দোল খেতে যাচ্ছেন"