Nitin Gadkari: E20 Petrol নিয়ে ভুয়ো প্রচারের অভিযোগ, এবার নীতিন গড়করিকে নিয়ে বড় নির্দেশ বম্বে হাইকোর্টের
নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করিকে দেওয়ানি মামলা দায়েরের অনুমতি দিল বম্বে হাইকোর্ট। অভিযোগ, পেট্রোলে ইথানল মেশানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও তাঁর পরিবার আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালানো হচ্ছে। বম্বে হাইকোর্ট মেটার অধীনে থাকা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, এক্স, গুগল বা

নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করিকে দেওয়ানি মামলা দায়েরের অনুমতি দিল বম্বে হাইকোর্ট। অভিযোগ, পেট্রোলে ইথানল মেশানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও তাঁর পরিবার আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালানো হচ্ছে। বম্বে হাইকোর্ট মেটার অধীনে থাকা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, এক্স, গুগল বা এই ধরনের অন্যান্য পেজগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে, যারা এই ধরনের মানহানিকর প্রচার করছে। মামলায় কেন্দ্রের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) এবং টেলিযোগাযোগ দফতরকেও (DoT) যুক্ত করা হয়েছে। আরও পড়ুন: রক্তের 'হোম ডেলিভারি', ভিন রাজ্যে রক্ত বিক্রির অভিযোগ; রাজ্যের একাধিক ব্লাড ব্যাঙ্কে একযোগে হানা স্বাস্থ্য দফতরের গড়করি আদালতে দায়ের করা আবেদনে দাবি করেছেন, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, এআই-নির্ভর ডিপফেক ছবি ও ভিডিও এবং সম্পাদিত ক্লিপের মাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে কেন্দ্রের ই-২০ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, এই প্রচার সম্পূর্ণ ভুয়ো, বিদ্বেষমূলক ও মানহানিকর, যার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করা। আবেদনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেছেন, ইথানল ব্লেন্ডেড পেট্রোল (ইবিপি) কর্মসূচি এবং ই-২০ পেট্রোল কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের অধীন। পরিবহণ মন্ত্রকের এর সঙ্গে কোনও নীতিগত বা প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। ফলে এই কর্মসূচি প্রণয়ন, বাস্তবায়ন বা পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর কোনও ভূমিকা নেই এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আরও পড়ুন: "সবকটাকে ভিতরে ঢোকাবে সরকার, ... পড়ুয়াদের নাচাচ্ছিল", ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে 'দেশবিরোধী' কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের মামলায় এআই-নির্ভর ডিপফেক ভিডিও, সম্পাদিত ভিডিও এবং তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে ই-২০ পেট্রোল মেশানোর ব্যাপারে মিথ্যাভাবে যুক্ত করা সমস্ত পোস্ট অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ যেন দেয় আদালত, সেই আবেদন করেছেন। পাশাপাশি এই ধরনের মানহানিকর কনটেন্ট তৈরি, প্রকাশ ও প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও আবেদন জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ ও প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। বম্বে হাইকোর্ট দেওয়ানি মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তির আবেদন পরবর্তী পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে।