Pakistan Cricket: ডোপিং বিরোধী ধারা লঙ্ঘন, তিন ম্যাচের জন্য নির্বাসিত পাকিস্তানি ক্রিকেটার
নয়াদিল্লি: পাকিস্তান ক্রিকেট (Pakistan Cricket) আর বিতর্ক যেন বেশিদিন একে অপরের থেকে দূরে থাকতেই পারে না। এবার পাকিস্তান ক্রিকেটে নয়া বিতর্ক আর সেই বিতর্কের কেন্দ্রে পাকিস্তান দলের তারকা ক্রিকেটার মহম্মদ নওয়াজ (Mohammad Nawaz)। ৩২ বছর বয়সি স্পিনার তিন ম্যাচ নির্বাসিত হলেন। আইসিসির ডোপিং বিরোধী বিধি

নয়াদিল্লি: পাকিস্তান ক্রিকেট (Pakistan Cricket) আর বিতর্ক যেন বেশিদিন একে অপরের থেকে দূরে থাকতেই পারে না। এবার পাকিস্তান ক্রিকেটে নয়া বিতর্ক আর সেই বিতর্কের কেন্দ্রে পাকিস্তান দলের তারকা ক্রিকেটার মহম্মদ নওয়াজ (Mohammad Nawaz)। ৩২ বছর বয়সি স্পিনার তিন ম্যাচ নির্বাসিত হলেন। আইসিসির ডোপিং বিরোধী বিধি লঙ্ঘন করায় তিন মাসের জন্য মহম্মদ নওয়াজকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি ডোপিং বিরোধী চিকিৎসা প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ করায় তাঁর নিষেধাজ্ঞা কমে তিন মাস থেকে এক মাসে কমে যাবে। টি-২০ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নওয়াজের ডোপ পরীক্ষা করা হয়, সেখানেই তাঁর শরীরে ডোপিং বিরোধী দ্রব্য ধরা পড়ে। নওয়াজ সেই দ্রব্য সেবনের কথা স্বীকার করেন। তাঁর দাবি সেটি টুর্নামেন্টের বাইরে অন্য সময় তিনি সেবন করেছিলেন এবং তার সঙ্গে তার পারফরম্যান্সের কোনও সম্পর্ক নেই। নওয়াজ ডোপিং বিরোধী প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন এবং ১ মে থেকে শুরু হওয়া এই নির্বাসনে আড়াই মাস কাটানোর পরে নওয়াজের শাস্তি মুকুব করা হয়েছে। আইসিসির মিডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে নওয়াজকে শাস্তির জন্য আর কোনও সময় মাঠের বাইরে থাকত হবে না। এই ডোপিং কেলেঙ্কারির ফলে ৭ ফেব্রুয়ারির ওই নেদারল্যান্ডস ম্যাচ থেকে ১ মে পর্যন্ত নওয়াজ যে যে ম্যাচ খেলেছেন সেই ম্যাচের রেকর্ডগুলি তাঁর কেরিয়ারে যুক্ত হবে না, তা বাতিল করা হয়েছে। আরও পড়ুন:- সিরিজ় নির্ণায়ক ম্যাচের আগেই বড় ধাক্কা, লর্ডস ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন আন্ডার সেক্রেটারি আর ভি এস মণি অভিযোগ করেছিলেন যে, ভারত সফরকারী পাকিস্তানি ক্রিকেট দল ও প্রতিনিধিদলগুলির মধ্যে মাদক পাচারের বিষয়টি একটি নিয়মিত ঘটনা ছিল।এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারকেই ২০০৬ সালে নিষিদ্ধ ড্রাগ ‘ন্যান্ড্রোলোন’ গ্রহণের দায়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) নিষিদ্ধ করেছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি শোয়েব আখতার ও মহম্মদ আসিফের নাম উল্লেখ করেন। ডোপ পরীক্ষায় নিষিদ্ধ অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ‘ন্যান্ড্রোলোন’ ব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ড্রাগস ট্রাইব্যুনাল আখতারকে দুই বছরের জন্য এবং আসিফকে এক বছরের জন্য ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছিল। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরের শেষদিকে পিসিবির অভ্যন্তরীণ ডোপ পরীক্ষায় এই দুই খেলোয়াড়ের ফলাফলই পজিটিভ এসেছিল। পরবর্তী সময়ে ভারতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চলাকালীন জয়পুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলের উদ্বোধনী ম্যাচের আগেই তাঁদের পাকিস্তানের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এবার আবারও এক পাকিস্তানি তারকার নাম নিষিদ্ধ দ্রব্য সেবনের সঙ্গে যুক্ত হল।