Pakistan Train News: পাকিস্তানের সবচেয়ে বিলাসবহুল ট্রেন, ভিতর থেকে কেমন? ট্রেনে চড়ে অবাক ভারতীয় ইউটিউবার!
নয়া দিল্লি: বিলাসবহুল ট্রেন বললে ভারতীয়দের মনে ভেসে ওঠে মহারাজাস' এক্সপ্রেস, প্যালেস অন হুইলস বা দ্য গোল্ডেন চ্যারিয়টের মতো ট্রেন। কিন্তু পাকিস্তানের সব থেকে বিলাসবহুল ট্রেন কী জানেন? এই ট্রেনের নাম দ্য গ্রিন লাইন এক্সপ্রেস। কেমন এই ট্রেন? পাকিস্তান গিয়ে সেই ট্রেনে চড়েছেন ভারতীয় ইউটিউবার ডক্টর নবাঙ্

নয়া দিল্লি: বিলাসবহুল ট্রেন বললে ভারতীয়দের মনে ভেসে ওঠে মহারাজাস' এক্সপ্রেস, প্যালেস অন হুইলস বা দ্য গোল্ডেন চ্যারিয়টের মতো ট্রেন। কিন্তু পাকিস্তানের সব থেকে বিলাসবহুল ট্রেন কী জানেন? এই ট্রেনের নাম দ্য গ্রিন লাইন এক্সপ্রেস। কেমন এই ট্রেন? পাকিস্তান গিয়ে সেই ট্রেনে চড়েছেন ভারতীয় ইউটিউবার ডক্টর নবাঙ্কুর চৌধুরী। তাঁর কথায় এই ট্রেনে বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা রয়েছে। যদিও সেই ট্রেন ভারতের একাধিক ট্রেনের সঙ্গে কিন্তু পাল্লা দিতেই পারবে না। আরও পড়ুন: ফোন চুরি করতে এসে প্রাণ নিয়ে টানাটানি চোরের, বেশ কিছুক্ষণ ঝুলে থাকল ট্রেনের জানলায়, ভাইরাল ভিডিও বাইরে থেকে দেখতে ঝাঁ চকচকে। ভিতরে এলসিডি স্ক্রিন। যেখানে আবার চিনা ভাষায় বিকল্পও ছিল। এ ছাড়াও ছিল ঘোরানো যায় এমন সিট, যেমনটা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের এক্সিকিউটিভ চেয়ার কারে থাকে। যদিও এই ট্রেন যে ঘড়ির কাঁটা মেনে একেবারেই চলে না, সেটাও বলছেন ডক্টর চৌধুরী। মুলতান থেকে লাহোর পর্যন্ত এই ট্রেনে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গিয়েছিলেন তিনি। আর সেই অভিজ্ঞতাই নিজের ইউটিউব ভ্লগে তুলে ধরেছেন নবাঙ্কুর। তাঁর দাবি, এই ট্রেনের টিকিট যখন তিনি কাটছিলেন, তখন অনলাইনে সেই টিকিট কাটতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। বারে বারে পেমেন্ট গেটওয়েতে সমস্যা হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মুলতান ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টার থেকে টিকিট কেনেন তিনি। নবাঙ্কুর জানিয়েছেন, এই ট্রেনের টিকিটের দাম ছিল পাকিস্তানি টাকায় ২ হাজার ৯৫০ টাকা। ভারতীয় টাকায় যা ১ হাজার ১০ টাকা। নবাঙ্কুর জানিয়েছেন, টিকিটের দামের মধ্যেই দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা ছিল। মেনুতে ছিল বিরিয়ানি, চিকেন, নান ও মিষ্টি। তবে নিরামিষ যাত্রীদের জন্য ডাল ছাড়া বিশেষ বিকল্প ছিল না বলে জানান তিনি। যদিও তিনি বলছেন এই ট্রেন খানেওয়াল স্টেশনে প্রায় ৯০ মিনিট দেরিতে পৌঁছয়। মুলতান ও খানেওয়ালের মাঝেও জল ভরার জন্য ট্রেনটি প্রায় ৪০ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিল। এ ছাড়াও, সিঙ্গেল লাইনের কারণে বিভিন্ন জায়গায় বারবার থামতে হচ্ছিল বলে তাঁর পর্যবেক্ষণ। অন্যদিকে, ভারতের বিলাসবহুল ট্রেনগুলো এর থেকে কয়েক যোজন এগিয়ে। ভাড়া বা আরাম, সব দিকেই এগিয়ে রয়েছে। আবার আমাদের দেশের রাজধানী, শতাব্দী বা বন্দে ভারতও অনেক এগিয়ে রয়েছে এই ট্রেনের থেকে। ফলে, ট্রেনের লড়াইয়ে পড়শী দেশের তুলনায় অনেকটা এগিয়েই রয়েছি আমরা।