Papiya Singha Debnath Death: অসুস্থতা হার মানাল অদম্য জেদকে, প্রয়াত এবিপি আনন্দর সাংবাদিক-সঞ্চালিকা পাপিয়া সিংহ দেবনাথ
কলকাতা: সকাল ৯.৩৫। অসুস্থতা হার মানাল অদম্য জেদকে। চলে গেলেন এবিপি আনন্দর জনপ্রিয় সাংবাদিক-সঞ্চালিকা পাপিয়া সিংহ দেবনাথ (Papiya Singha Debnath)। আবাহনের আশ্বিনে, আচমকাই বিসর্জনের বিষাদ। অসুস্থতা কেড়ে নিল সহকর্মীদের সঙ্গে ওঁর সঙ্গ। সঙ্গে কিন্তু রয়ে গেল পাপিয়ার উজ্জ্বল উপস্থিতি। খবরের চুলচেরা,

কলকাতা: সকাল ৯.৩৫। অসুস্থতা হার মানাল অদম্য জেদকে। চলে গেলেন এবিপি আনন্দর জনপ্রিয় সাংবাদিক-সঞ্চালিকা পাপিয়া সিংহ দেবনাথ (Papiya Singha Debnath)। আবাহনের আশ্বিনে, আচমকাই বিসর্জনের বিষাদ। অসুস্থতা কেড়ে নিল সহকর্মীদের সঙ্গে ওঁর সঙ্গ। সঙ্গে কিন্তু রয়ে গেল পাপিয়ার উজ্জ্বল উপস্থিতি। খবরের চুলচেরা, তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণে বারবার নিজের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছেন। আবার যে কোনও পুজোর লাইভে অনিবার্য ছিল পাপিয়ার ঝলমলে উপস্থিতি। মুখে হাসি ধরে রেখেছিলেন আজীবন। কোনও অসুস্থতাই দাঁড়ি টানতে পারেনি তাতে। ১৯৭৯ সালের ৭ মার্চ জন্মগ্রহণ। বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬। ঘড়িতে তখন সকাল ৯.৩৫। প্রয়াত হলেন এবিপি আনন্দর জনপ্রিয় সাংবাদিক-সঞ্চালিকা পাপিয়া সিংহ দেবনাথ। ভুগছিলেন দুরারোগ্য ক্যান্সারে। মারণরোগের সঙ্গে লড়াই শেষ হল। মাত্র ৪৭ বছর বয়সে নিভে গেল জীবন প্রদীপ। "নমস্কার আপনারা দেখছেন এবিপি আনন্দ, আপনাদের সঙ্গে রয়েছি, আমি পাপিয়া...", টেলিভিশনের পর্দায় পাপিয়ার কণ্ঠস্বরে এই লাইন শোনার অপেক্ষায় থাকতেন অগণিত দর্শক। রাজনৈতিক খবর হোক বা ব্রেকিং নিউজ়, বিনোদন হোক বা খেলার দুনিয়ার টাটকা আপডেট, সব বিষয়েই সমান পারদর্শিতার সঙ্গে, পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রতিবেদন মানুষের সামনে তুলে ধরতেন। নিজের সময় কেড়ে নেওয়া খবরের দুনিয়া, শত চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব ক্লান্ত করেনি পাপিয়াকে। কাজ ভালবাসতেন, বড্ড ভালবাসতেন জীবনও। চাইতেন সব আনন্দ শুষে নেওয়া একটা গোটা জীবন। প্রকৃতি ভালবাসতেন। ভালবাসতেন বাগান পরিচর্যা করতে। ফুল ফোটালেই ছবি পোস্ট করতেন সোশ্যাল মিডিয়ায়, মোবাইল ফোন থেকে প্রবল উৎসাহের সঙ্গে দেখাতেন সহকর্মীদের। এই পুজোর আশ্বিনে যখন গোটা রাজ্য আনন্দে ভরপুর, তখনই সেই জীবন দাঁড়ি টানল পাপিয়ার সামনে। ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পাপিয়া আর এক অকালে প্রয়াত সহকর্মী, এবিপি আনন্দর সাংবাদিক-সঞ্চালিকা সন্দীপ্তা চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আবেগঘন শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়েছিলেন। লিখেছিলেন, 'সেই চাউনি রেখে গেছে সারা আকাশ ছেয়ে.. সহকর্মী থেকে কখন যে বন্ধু হয়ে গিয়েছিলি...ভাল থাকিস।' তার কয়েক মাসের মধ্যে পাপিয়া নিজেই যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বেন, তা দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি তাঁর পরিবার, বন্ধু, সহকর্মীদের কেউই। পাপিয়ারা ফুরোয় না, পাপিয়া রয়ে যাবে.. আগামী অনেক আশ্বিনে। পাপিয়াকে মনে পড়বে খবরের বাঁকে...পুজোয় নতুন শাড়িতে ঝলমলিয়ে ওঠা কোনও মুখের সামনে... এবিপি আনন্দ পরিবারের তরফ থেকে রইল ভালবাসা, বিনম্র শ্রদ্ধা... [yt]https://www.youtube.com/watch?v=jAf0EMqeqMk&feature=youtu.be[/yt]