Rahul Gandhi : রাহুল গান্ধীকে মেসেজ জ্ঞানেশ কুমারের ? উত্তাল আন্দোলনের মাঝে কী জানাতে চাইলেন?
নয়াদিল্লি: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে উত্তাল দিল্লি । জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ফের পথে নামছেন INDI জোটের নেতারা। কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকের পর বারাখাম্বা রোড থেকে শুরু হয়েছে মিছিল। তবে এই মিছিলের অভিমুখ কোনদিকে, তা বোঝা এখনই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এরই মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে বড় দাবি করলে

নয়াদিল্লি: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে উত্তাল দিল্লি । জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ফের পথে নামছেন INDI জোটের নেতারা। কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকের পর বারাখাম্বা রোড থেকে শুরু হয়েছে মিছিল। তবে এই মিছিলের অভিমুখ কোনদিকে, তা বোঝা এখনই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এরই মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে বড় দাবি করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সরাসরি ইঙ্গিত দিলেন, জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে মেসেজ করেন বলে। এবার রাহুলির সরাসরি হুঁশিয়ারি, 'জ্ঞানেশ কুমার রাতে ঘুমোতে পারেন না । ঘাবড়ে যাবেন না, আমরা আপনাকে ছাড়ব না'। এদিন রাহুল গান্ধী বলেন, 'অপরাধ করেছেন রাজসাক্ষী হন, আপনি মূল অপরাধী নন, আপনি ভুল করেছেন'। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল ইঙ্গিত দেন, জ্ঞানেশ কুমারের কাছ থেকে তিনি বার্তা পাচ্ছেন। সেই প্রসঙ্গেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ‘রাজসাক্ষী’ হওয়ার পরামর্শ দেন রাহুল। রাহুলের অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার অপরাধ করেছেন, তবে তিনি মূল ষড়যন্ত্রকারী নন। সাংবাদিক বৈঠকে এক সাংবাদিক রাহুল গান্ধীকে প্রশ্ন করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কি তাঁকে ফোন করেছেন বা কোনও বার্তা পাঠিয়েছেন? উত্তরে রাহুল গান্ধী বলেন, 'বার্তা আসছে ... বার্তা আসছে'। রাহুল দাবি করেন, জ্ঞানেশ কুমারও এই সাংবাদিক বৈঠক দেখছেন। এরপর জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী বলেন, তাঁর উচিত রাজসাক্ষী হয়ে যাওয়া। কোনও ভুল বা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও জ্ঞানেশ কুমার আসল অপরাধী নন, তাঁর নেপথ্যের মানুষদের কথা তিনি প্রকাশ্যে আনুন। তবে ঠিক বার্তা রাহুল পেয়েছেন, কে সেই বার্তা পাঠিয়েছেন কিংবা তাতে কী লেখা ছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি। রাহুলের হুঁশিয়ারি, 'পদত্যাগ করুন, আপনার কাছে এটা খুব সহজ কাজ। আমাদের আপনাকে ক্ষমা করে দেওয়ার কথা ভাবব। আমরা জানি আপনি নরেন্দ্র মোদি বা অমিত শাহ বা অজিত ডোভাল বা আদানির চাপে এই কাজ করেছেন'। সোমবার যন্তর মন্তরে কর্মসূচির আবেদন নিয়ে পার্লামেন্টারি স্ট্রিট থানায় গিয়েছে CJP। সোমবার পুলিশের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে আসেন ককরোচ জনতা পার্টির আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসরা । বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুমতি না দেওয়া হলে ফের প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেবেন তাঁরা। হুঁশিয়ারি দেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা আশুতোষ, সৌরভরা।