Rajarhat Bomb: একটা ব্যাগ রেখে আসার পরই বিস্ফোরণ, রাজারহাটের ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত মহম্মদ শামিম ও দালাল শাহেনশাহ
রাজারহাট: বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বাড়ি। রাজারহাটে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বোমা। বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত ভাড়াটিয়া ও দালালকে। বাড়ির মালক সহ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। কী কারণে এমন বিস্ফোরণ হল, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। আরও পড়ুন: সপ্তাহের শেষ দিন রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি, কোথাও হালকা, কোথাও

রাজারহাট: বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বাড়ি। রাজারহাটে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বোমা। বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত ভাড়াটিয়া ও দালালকে। বাড়ির মালক সহ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। কী কারণে এমন বিস্ফোরণ হল, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। আরও পড়ুন: সপ্তাহের শেষ দিন রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি, কোথাও হালকা, কোথাও ভারী, জারি সতর্কতা আচমকা আলোর ঝলকানি, কেঁপে উঠল বাড়ি। আচমকা ধোঁয়ায় ঢেকে গেল বাড়ি। রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুরে বিস্ফোরণ। ঘটনায় আহত হয়েছে ২ জন। ওই বাড়িরই এক বাসিন্দা বলেন, "এমন বিস্ফোরণ হল যে আমার ঘরের পাখা খুলে পড়ে গেল। চারদিক পুরো ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে গিয়েছিল।" শুক্রবার রাত তখন ৮ টা, রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুড়ে জুলফিকার আনসারি নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। বাড়ির মালকের দাবি, যে বাড়িতে এই বিস্ফোরণ হয়েছে সেটা ২ দিন আগেই মহম্মদ শামিম ওরফে সেলিম নামের একজন ভাড়া নেয়। নিজেকে কামারহাটির বাসিন্দা বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। বাড়ির মালিক বলছেন, "আমার কাছে এরা এসেছিল দালালের মাধ্যমে। আমরা বুঝতে পারিনি যে ও যাকে নিয়ে এসেছে সে এইভাবে কিছু করবে। ১৫ তারিখ সকালে এসেছিল। ছবি দেওয়া হয়েছিল সাফাইয়ের জন্য। কথা হয়েছিল যখন কাগজ রেডি হয়ে যাবে, তখন থাকতে দেব।" একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এক কিশোর সাদা রংয়ের একটি ব্যাগ ওই ঘরে রেখে আসে, তারপরই বিস্ফোরণ ঘয়ে। যদিও ওই কিশোরের দাবি, তাকে ঐ ব্যাগে খাবার আছে বলে, তা রেখে আসতে বলা হয়। সে আরও বলে, সেলিমই তাকে এই কাজ করতে বলে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে একদিকে যেমন এক ব্যক্তির পাখা খুলে পড়ে যায়, তেমনই খুলে ছিটকে গিয়ে পড়ে মিটার বক্স। তেমনই ভেঙে যায় পাশের ঘরের দেওয়ালও। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় NIA, তারপর আসে বেঙ্গল এসটিএফ ও বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড, পৌঁছে যায় বিধাননগর থানার ডিটেকটিভ স্কোয়াডও। পুলিশ সূত্রে খবর, মহাম্মদ শামিম ওরফে সেলিমকে কামারহাটি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত দালাল মহম্মদ শাহেনশাহকে। ধৃতদের আদালতে তুলে ১৪ দিনের হেফাজতের আবেদন জানাবে পুলিশ। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বাড়ির মালিক জুলফিকর আনসারি, সিসিটিভিতে দেখতে পাওয়া কিশোরকে।