Ranji Trophy: দিল্লিকে হারিয়ে উঠেই পরের ম্যাচের অঙ্ক শুরু বাংলার, জোড়া ধাক্কার মাঝেই প্রাপ্তি শাহবাজ
সন্দীপ সরকার, কল্যাণী: দিল্লিকে ৯ উইকেটে হারিয়ে রঞ্জি অভিযান শুরু করল বাংলা। তবে গোটা রাজ্য যখন দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে উঠতে তৈরি, তখন উৎসবের ফুরসত নেই বাংলা দলের। রঞ্জি ট্রফির পরের ম্যাচ খেলতে বৃহস্পতিবারই উড়ে যাচ্ছে বাংলা দল। দিল্লির পালাম মাঠে বাংলার পরের ম্যাচ সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে। ১৮-২১ অ

সন্দীপ সরকার, কল্যাণী: দিল্লিকে ৯ উইকেটে হারিয়ে রঞ্জি অভিযান শুরু করল বাংলা। তবে গোটা রাজ্য যখন দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে উঠতে তৈরি, তখন উৎসবের ফুরসত নেই বাংলা দলের। রঞ্জি ট্রফির পরের ম্যাচ খেলতে বৃহস্পতিবারই উড়ে যাচ্ছে বাংলা দল। দিল্লির পালাম মাঠে বাংলার পরের ম্যাচ সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে। ১৮-২১ অক্টোবর হবে সেই ম্যাচ। সেই ম্যাচ খেলতে বৃহস্পতিবার দিল্লি রওনা দিচ্ছে বাংলা দল। দিল্লিকে হারানোর পর বাংলা শিবিরে রয়েছে স্বস্তি ও সমীকরণ বদলের চিন্তাও। স্বস্তি কারণ, প্রথম ম্যাচে চোটের জন্য না খেললেও সার্ভিসেস ও কেরল - বাংলার পরের দুই ম্যাচের দলে এলেন অলরাউন্ডার শাহবাজ আমেদ। যিনি বহু ম্য়াচে বাংলাকে জিতিয়েছেন। কখনও ব্যাট হাতে, কখনও বাঁহাতি স্পিন বোলিংয়ে। তবে চিন্তাও রয়েছে কারণ, পরের দুই ম্যাচে আকাশ দীপ ও মুকেশ কুমার - দুই পেসারকে পাওয়া যাবে না। দুজনই ভারত এ দলের হয়ে নিউজ়িল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন। যদিও বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল বুধবার দিল্লি ম্যাচের পর বলেছেন, 'আকাশ ও মুকেশ না থাকায় নতুনদের কাছে নিজেদের প্রমাণ করার বড় সুযোগ। কোনও অসুবিধা হবে না। কারও জন্য কিছু আটকে থাকে না।' তবে পরের দুই ম্যাচে খেলবেন মহম্মদ শামি। দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট কী? লক্ষ্মীরতন বলছেন, 'সুমন্তর স্পেল। ওকে আমি গত ২-৩ বছর ধরে অফস্পিন বল করাচ্ছি। ওকে ঠিক সময়ে বল করাতে আনল অধিনায়ক। পাশাপাশি আমরা কখনও বিশ্বাস হারাইনি। সেটাও ম্যাচের রাশ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে।' লক্ষ্মী যোগ করলেন, 'শেষদিন পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। তবে আমরা কখনওই বিশ্বাস হারাইনি। জানতাম ম্যাচ জিতেই মাঠ ছাড়ব। ৮৯ রানের টার্গেট পাওয়ার পর ছেলেদের বলেছিলাম, তাড়াহুড়ো করিস না। ম্যাচ আমরাই জিতব। সেটাই হয়েছে।' সার্ভিসেস ও কেরল ম্যাচের জন্য নির্বাচিত বাংলা দল অভিমন্যু ঈশ্বরণ (অধিনায়ক), সুদীপ কুমার ঘরামি (সহ অধিনায়ক), সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক পোড়েল (উইকেটকিপার), শাহবাজ আমেদ, শাকির হাবিব গাঁধী (উইকেটকিপার), অঙ্কুর পাল, সুমন্ত গুপ্ত, অঙ্কিত শুক্ল, শুভম চট্টোপাধ্যায়, মহম্মদ শামি, সূরয সিন্ধু জয়সওয়াল, প্রদীপ্ত প্রামাণিক, মহম্মদ কাইফ, আমির গনি, সৌম্যদীপ মণ্ডল, করণ লাল ও গীত পুরি আরও পড়ুন: জেল থেকে বেরনোর পর প্রথম মাঠে নেমেই ম্যাচের সেরা, নতুন জীবন শুরু অভিষেকের