Ranji Trophy: বাংলার বোলারদের শাসনে কোণঠাসা দিল্লি, শামি-আকাশের দাপটে চা পানের বিরতিতে স্কোর ১৬৪/৭
সন্দীপ সরকার, কল্যাণী: রঞ্জি ট্রফির প্রথম দিনই কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে বোলারদের দাপট। মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমার - তিন পেসারের অস্ত্রে দিল্লিকে চাপে ফেলে দিল বাংলা। অফস্পিনার আমির গনিও তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। রবিবার, ম্যাচের প্রথম দিন চা পানের বিরতিতে দিল্লির স্কোর ৫৫ ওভা

সন্দীপ সরকার, কল্যাণী: রঞ্জি ট্রফির প্রথম দিনই কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে বোলারদের দাপট। মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমার - তিন পেসারের অস্ত্রে দিল্লিকে চাপে ফেলে দিল বাংলা। অফস্পিনার আমির গনিও তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। রবিবার, ম্যাচের প্রথম দিন চা পানের বিরতিতে দিল্লির স্কোর ৫৫ ওভারে ১৬৪/৭। চালকের আসনে বাংলা। রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচেই সেরা বোলিং আক্রমণ নিয়ে নেমেছে বাংলা। পেস বিভাগে তিন তারকা - মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ ও মুকেশ কুমার - তিনজনই ছন্দে। শামি দলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলকে চ্যাম্পিয়ন করার কারিগর। আকাশ ও মুকেশ অবশিষ্ট ভারতকে ইরানি কাপ জিতিয়েছেন। পরের ম্য়াচেই আকাশ ও মুকেশকে পাবে না বাংলা। নিউজ়িল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে ভারত এ দলের হয়ে সিরিজ খেলতে যাবেন দুই পেসার। তার আগে পেস ত্রিফলাই ভরসা জোগাল বাংলাকে। কল্যাণীর এই মাঠেই গত রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে লজ্জাজনকভাবে হেরে গিয়েছিল বাংলা। সেই মাঠেই এবার রঞ্জি অভিযান শুরুর প্রথম দিন দুরন্ত প্রত্যাবর্তন লক্ষ্মীরতন শুক্লর প্রশিক্ষণাধীন দলের। টস জিতে দিল্লিকে আগে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। তারপরই তিনি আক্রমণ শানিয়েছিলেন পেস ব্রহ্মাস্ত্র দিয়ে। লাঞ্চের মধ্যে প্রতিপক্ষের তিন উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলা। দুটি উইকেট পেসারদের ঝুলিতে গিয়েছিল। একটি উইকেট পেয়েছিলেন অফস্পিনার আমির গনি। যিনি ২ বছর পর রঞ্জি ট্রফি খেলছেন। প্রথম দিন লাঞ্চ বিরতিতে দিল্লির স্কোর ছিল ৩১ ওভারে ৮৯/৩। Tea break: Delhi - 164/7 in 54.6 overs (Divij Mehra 12 off 19, Hritik Shokeen 10 off 32) #BENvDEL #RanjiTrophy #Elite — BCCI Domestic (@BCCIdomestic) October 11, 2026 দ্বিতীয় সেশনে ২৪ ওভারে ৭৫ রান তুলেছে দিল্লি। হারিয়েছে আরও ৪ উইকেট। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছে শামিকে। চা পানের বিরতি পর্যন্ত যাঁর বোলিং ফিগার ১৪-৯-১৫-২। আকাশ ও আমির গনি নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। এক উইকেট মুকেশের। ৯২ বলে ৪৫ রান করে একমাত্র লড়াই করলেন আয়ূষ দোসেজা। ১৮ রান করে আমির গনির বলে উইকেট কার্যত ছুড়ে দিলেন দেব লাকড়া। মিড অফে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ ধরলেন মুকেশ কুমার। ক্রিজে রয়েছেন দ্বিবিজ মেহরা ও হৃতিক শোকিন। আরও পড়ুন: '৪ বছর পর ভুবনেশ্বরের প্রত্যাবর্তন ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন আশা তৈরি করেছে', বলছেন আকাশ দীপ