Ranji Trophy: রঞ্জি অভিযান শুরু করার আগে ডিন্ডার ক্লাসে আকাশ-মুকেশরা, শনিবার যোগ দিচ্ছেন শামি
সন্দীপ সরকার, কলকাতা: তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। বাংলার সর্বকালের সেরা পেসারদের অন্যতম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রেকর্ড ৪২০ উইকেট রয়েছে। যে নজির বাংলার আর কোনও বোলারের নেই। ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর সেই অশোক ডিন্ডা নেমেছিলেন রাজনীতির ময়দানে। বিজেপির টিকিটে পরপর দুবার বিধায়ক হয়েছেন। রাজ্যে পা

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। বাংলার সর্বকালের সেরা পেসারদের অন্যতম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রেকর্ড ৪২০ উইকেট রয়েছে। যে নজির বাংলার আর কোনও বোলারের নেই। ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর সেই অশোক ডিন্ডা নেমেছিলেন রাজনীতির ময়দানে। বিজেপির টিকিটে পরপর দুবার বিধায়ক হয়েছেন। রাজ্যে পালাবদলের পর শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন। তবে ক্রিকেট থেকে দূরে থাকেননি ডিন্ডা। সিএবি তাঁকে ভিশন প্রকল্পে পেস বোলারদের কোচ করেছে। রঞ্জি ট্রফির আগে ডিন্ডা নেমে পড়েছেন ময়দানে। বাংলার পেসারদের ক্লাস নিলেন প্রাক্তন ফাস্টবোলার। রবিবার, ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে রঞ্জি ট্রফিতে বাংলার অভিযান। প্রথম ম্যাচে বাংলার প্রতিপক্ষ দিল্লি। ঋষভ পন্থ হয়তো নেই, কিন্তু দিল্লি দলে রয়েছেন আইপিএল খেলা ৮ ক্রিকেটার। রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলা দুই তরুণ - তেজস্বী সিংহ দাহিয়া ও স্বার্থক রঞ্জন। সেই সঙ্গে একঝাঁক প্রতিশ্রুতিমান পেসার। নভদীপ সাইনি, সিমরজিৎ সিংহর মতো পরিচিত ফাস্টবোলাররা। তবে দিল্লির বিরুদ্ধে পেস অস্ত্রে শান দিয়েই নামছে বাংলা। বাংলার ভরসা পেস ত্রিফলা - মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপ। দলে সূরয সিন্ধু জয়সওয়াল কিংবা শামির ভাই মহম্মদ কাইফও রয়েছেন, তবে প্রথম একাদশে তাঁদের খেলার সম্ভাবনা কম। একাদশে দেখা যেতে পারে শামি-মুকেশ ও আকাশকে। এঁদের মধ্যে ইরানি কাপ খেলে কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে প্র্যাক্টিসে নেমে পড়েছেন মুকেশ ও আকাশ। শামি এখনও আসেননি। বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল জানালেন, শামি শনিবার, মহালয়ার দিন সকালে দলের সঙ্গে যোদ দেবেন। একদিন প্র্যাক্টিস করে রবিবার থেকে ম্যাচে নামবেন ডানহাতি পেসার। শুক্রবার কল্যাণীতে বাংলার পেসারদের ক্লাস নিলেন ডিন্ডা। তাঁর বিশাল অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন বাংলার তরুণ পেসারদের সঙ্গে। নতুন বলে উইকেট তোলায় দীর্ঘদিন ধরে বাংলার ভরসা ছিলেন ডিন্ডা। তাজা পিচ থেকে কীভাবে নতুন বলের সেরা ফায়দা তুলতে হয়, কীভাবে বাউন্স ও স্যুইং আদায় করে নিতে হয়, সেটাই মুকেশ-আকাশদের জানিয়েছেন ডিন্ডা। তাঁর ক্লাস করে বাংলার পেসাররাও উচ্ছ্বসিত। কল্যাণীর পিচ বরাবরই পেসারদের সাহায্য করে। গত মরশুমে এই মাঠেই রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল বাংলাকে। আয়ূষ বাদোনির দিল্লির বিরুদ্ধে সবুজ পিচে খেলতে চায় বাংলা। দলে তিন পেসার ও দুই স্পিনার থাকতে পারেন। পেস অস্ত্রেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চিন্তাভাবনা করছে বাংলা দল। [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]