Ranji Trophy: ঘরের মাঠের পিচ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ শামির, পাল্টা বোমা সুজনের, রঞ্জির প্রথম দিনই ধুন্ধুমার
সন্দীপ সরকার, কল্যাণী: ঘরের মাঠেই যেন তাঁকে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে! পছন্দের পিচ দেওয়া হচ্ছে না। বারবার বলা সত্ত্বেও। যে পেস বোলিং বাংলার প্রধান শক্তি, সেই বিভাগ আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারছে না পিচের সাহায্য না পাওয়ায়। বক্তার নাম, মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। যিনি রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচের প্র

সন্দীপ সরকার, কল্যাণী: ঘরের মাঠেই যেন তাঁকে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে! পছন্দের পিচ দেওয়া হচ্ছে না। বারবার বলা সত্ত্বেও। যে পেস বোলিং বাংলার প্রধান শক্তি, সেই বিভাগ আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারছে না পিচের সাহায্য না পাওয়ায়। বক্তার নাম, মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। যিনি রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচের প্রথম দিন বল হাতে ৪ উইকেট নিলেন। দিল্লির বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে সারাদিনে ১৭.৩ ওভারে ৯টি মেডেন সহ মাত্র ৩০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিলেন ডানহাতি ফাস্টবোলার। ছোট ছোট ছটি স্পেলে বল করেছেন শামি। ঈর্ষণীয় পরিসংখ্যান। মূলত তাঁর দাপটেই দিল্লির প্রথম ইনিংস ২৪০ রানে গুটিয়ে গেল। যদিও প্রথম দিনের খেলার শেষে পিচ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য শামির। বললেন, 'উইকেট থেকে সাহায্য় না পেলে লম্বা স্পেলে বোলিং করে এনার্জি নষ্ট করার মানে হয় না। সেটা স্মার্টনেস নয়। গরমে প্রাণশক্তি বাঁচিয়ে বল করাটা জরুরি।' তাঁকে প্রশ্ন করা হল, বাইরে থেকে দেখে মনে হচ্ছিল পিচে দুরকম গতি ও বাউন্স রয়েছে...। শামি থামিয়ে দিয়ে বললেন, 'দেখে মনে হচ্ছিল বলবেন না, উইকেটটা এরকমই ছিল। উইকেট মন্থর ছিল। আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, দাবিও জানিয়েছিলাম এমন পিচের, যেখানে পেসারদের জন্য সাহায্য থাকবে। কারণ আমি খেলছি, আকাশ খেলছে, মুকেশ খেলছে। এরকম পেস বোলিং বিভাগ ভারতের আর কোনও রাজ্য দলের নেই। আমরা বহুবার উইকেট নিয়ে বলেছি, কিন্তু তার কোনও ফল পাইনি।' এবার অতিরিক্ত বৃষ্টির জন্য পিচ তৈরি করা সমস্যার ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে কোনও কোনও মহল থেকে। শামি যদিও উড়িয়ে দিলেন সেই দাবি। বললেন, 'বৃষ্টিতে তো আরও ঘাস হওয়া উচিত। কম থাকার কথা নয়। আমি বলছি না পুরো ঘাসের উইকেট দাও। গ্রিনটপ চাইছি না। কিন্তু এই উইকেট আমাদের প্রাপ্য নয়। সকলেই এই পিচ দেখে অবাক, শুধু আমরা ছাড়া।' শামির বক্তব্যের পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে সিএবি-তেও। সিএবি-র প্রধান কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় এবিপি লাইভ বাংলার কাছে শামির অভিযোগের কথা শুনে বললেন, 'আমার তো মনে হয়েছে ভাল উইকেটে খেলা হয়েছে। বাংলার উইকেটকিপার অভিষেক পোড়েল বুকের উচ্চতায় বল ধরছিল। শামি কি বলতে চাইছে দিল্লির প্রথম ইনিংস লাঞ্চের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল?' এরপরই সুজন বললেন, 'ভুলে গেলে চলবে না বাংলাকেও এই পিচেই ব্যাট করতে হবে। আমি যে উইকেট করেছি, সকলের জন্য সমান সহায়তা রয়েছে। অভিযোগ করার জায়গা নেই।' রঞ্জির প্রথম দিনই বাংলার সেরা পেসার বনাম সিএবি-র কিউরেটরের লড়াই লেগে গেল। আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বাংলার বোলারদের তাণ্ডব, দিল্লির প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেল ২৪০ রানে