RBI Repo Rate: রেপো রেট বাড়ল, ফিক্সড নাকি ফ্লোটিং, কোন ধরনের লোন আপনার জন্য এখন যুক্তিযুক্ত?
কলকাতা: ইতিমধ্যেই রেপো রেট বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ২৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। বর্তমানে সুদের হার হয়েছে ৫.৫০ শতাংশ। জানা গিয়েছে, মুদ্রাস্ফীতির চাপ, অপরিশোধিত তেলের দাম এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তার মতো বিষয়কে সামনে র

কলকাতা: ইতিমধ্যেই রেপো রেট বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ২৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। বর্তমানে সুদের হার হয়েছে ৫.৫০ শতাংশ। জানা গিয়েছে, মুদ্রাস্ফীতির চাপ, অপরিশোধিত তেলের দাম এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তার মতো বিষয়কে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন: বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে 'হামলা', অভিযোগ ছোড়া হয় কাচের বোতল এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে খুচরো ঋণের সুদে, বিশেষ করে যে সব হোম লোন ফ্লোটিং রেটে নেওয়া হয়, সেই সব হোম লোনে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাঙ্কের রিটেল ও MSME ফ্লোটিং-রেট ঋণ সাধারণত External Benchmark-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে, যার মধ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রেপো রেটও রয়েছে। ফলে রেপো রেট বাড়লে সংশ্লিষ্ট ঋণের সুদ পুনর্নির্ধারণ হতে পারে। ফিক্সড বনাম ফ্লোটিং হোম লোন ফিক্সড রেট লোনের ক্ষেত্রে সুদের হার নির্দিষ্ট সময় বা পুরো ঋণের মেয়াদে স্থির থাকে। ফলে বাজারে সুদের হার বাড়লেও EMI-তে সরাসরি প্রভাব পড়ে না। তবে এই নিশ্চয়তার জন্য ব্যাঙ্ক সাধারণত ফ্লোটিং রেটের তুলনায় বেশি সুদ নেয়। অন্যদিকে ফ্লোটিং রেট লোনে সুদ বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। তাই রেপো রেট বাড়লে EMI বাড়তে পারে অথবা একই EMI রেখে ঋণের মেয়াদ বাড়তে পারে। RBI-র নিয়মে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাকে EMI বাড়ানো, মেয়াদ বাড়ানো, নির্দিষ্ট হারে যাওয়া বা প্রি-পেমেন্টের মতো বিকল্প দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এখন কোনটি বিবেচনা করবেন? ধরা যাক, কোনও ব্যাঙ্কের ফ্লোটিং হোম লোনের সুদ ৮ শতাংশ এবং ফিক্সড রেট ৯ থেকে ১০.৫ শতাংশ। রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ার পর ফ্লোটিং রেট ৮.২৫ শতাংশ হলেও তা এখনও সম্ভাব্য ফিক্সড রেট লোনের তুলনায় কম। আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি কংগ্রেসের তবে ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে আরও সুদ বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। তাই কম সুদের সম্ভাবনা ও EMI পরিবর্তনের ঝুঁকি নিতে রাজি হলে ফ্লোটিং, আর নিশ্চিত EMI ও সুদের স্থিরতা চাইলে ফিক্সড রেট বিবেচনা করা যেতে পারে। অনেক ব্যাঙ্ক নির্দিষ্ট সময় ফিক্সড রেট থাকার পর ফ্লোটিং হোম লোনে যাওয়ার হাইব্রিড লোনও দেয়।