Recruitment Scam: প্রায় ২৫০ কোটির লেনদেন, কেনা হয় বিপুল সম্পত্তি, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ED-র চার্জশিটে সুজিত বসুর নাম
আবির দত্ত ও প্রকাশ সিনহা, কলকাতা: প্রায় ২৫০ কোটির লেনদেন, কেনা হয়েছিল বিপুল সম্পত্তি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED-র সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে সুজিত বসু (Sujit Bose)। পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Municipality Scam) মামলায় প্রথম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল ED। ১৮৬ পাতার চার্জশিটে নাম রয়েছে সুজিত বসু,

আবির দত্ত ও প্রকাশ সিনহা, কলকাতা: প্রায় ২৫০ কোটির লেনদেন, কেনা হয়েছিল বিপুল সম্পত্তি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED-র সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে সুজিত বসু (Sujit Bose)। পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Municipality Scam) মামলায় প্রথম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল ED। ১৮৬ পাতার চার্জশিটে নাম রয়েছে সুজিত বসু, তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু ও এক আমলার ED-র দাবি, চাকরির বিক্রির টাকায় সুজিত বসু ও তাঁর পরিবারের নামে কেনা হয়েছে বিপুল সম্পত্তি। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তার মধ্যে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দিয়ে এমন বিস্ফোরক দাবিই করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সুজিত বসুর পাশাপাশি, চার্জশিটে নাম রয়েছে তাঁর ছেলে সমুদ্র বসুরও। নাম রয়েছে আমলা জ্যোতিষ্মান চট্টোপাধ্যায় এবং দুইটি বেসরকারি সংস্থার। ED সূত্রে দাবি, এই দুর্নীতির সময় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের ডিরেক্টরেট অফ লোকাল বডিজ বা DLB-র ডিরেক্টর পদে ছিলেন জ্যোতিষ্মান চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন:- নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের বৃহস্পতিবার বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দেয় ED। ১৮৬ পাতার চার্জশিটের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ১২ হাজার ৫০০ পাতার নথি। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, সুজিত বসু একাই ৩৪০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছিলেন। তার মধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন ২৮৪ জন। প্রার্থী পিছু গড়ে ৬ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে। ED-র আরও দাবি, চাকরির বিক্রির টাকায় সুজিত বসু ও তাঁর পরিবারের নামে কেনা হয় বিপুল সম্পত্তি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত প্রোমোটার অয়ন শীলের সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি অভিযান চালায় ED, সেখান থেকেই পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি সামনে আসে। ED সূত্রে দাবি করা হয়, প্রোমোটার অয়ন শীলের সংস্থা ABS ইনফোজোনের অফিসের কম্পিউটারের ফোল্ডারে যে নথি পাওয়া যায়, সেখানে ছিল একাধিক প্রভাবশালীর নাম। উল্লেখ করা ছিল চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক। এরপরেই দুর্নীতিতে নাম জড়ায় প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর। ইডির পাশাপাশি তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এই মামলায় আগেই চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেই চার্জশিটে CBI দাবি করে, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগরসহ মোট আটটি পুরসভায় ৬০০-র বেশি বেআইনি চাকরি হয়েছে। চার্জশিটের ১১ নম্বর পাতায় দাবি করা হয় বেআইনিভাবে সবচেয়ে বেশি চাকরি দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভায়। ২০১০ সাল থেকে দীর্ঘদিন ওই পুরসভার ভাইস চেয়ারম্য়ান ছিলেন সুজিত বসু। মামলার তদন্তে গত বছরের ১০ অক্টোবর লেকটাউনে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর রেস্তোরাঁ, তাঁর সল্টলেকের অফিস, গোলাঘাটায় প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁ, লাউঞ্জ-বারে তল্লাশি চালিয়েছিল ED। সুজিত বসুর স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও জামাইকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ১১ মে সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় সুজিত বসুকে। সেই গ্রেফতারির ৫৯ দিন পর, বৃহস্পতিবার প্রথম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিল ইডি। [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]