Riyadh Airport Blast: রিয়াধ বিমানবন্দরে ফের বিস্ফোরণের শব্দ! যাত্রীদের সামনে আচমকা বদলে গেল সব, তুমুল চাঞ্চল্য
নয়া দিল্লি: সাধারণত বিমানবন্দরে যাত্রীদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা থাকে—ফ্লাইট দেরি করবে কি না, লাগেজ ঠিকমতো উঠেছে কি না, কিংবা কানেক্টিং ফ্লাইট ধরা যাবে কি না। কিন্তু রিয়াধ বিমানবন্দরে শনিবারের পরিস্থিতি সেই চেনা দুশ্চিন্তাকে ছাপিয়ে যায়। আচমকা জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ, নিরাপত্তার কারণে যাত্রীদের স

নয়া দিল্লি: সাধারণত বিমানবন্দরে যাত্রীদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা থাকে—ফ্লাইট দেরি করবে কি না, লাগেজ ঠিকমতো উঠেছে কি না, কিংবা কানেক্টিং ফ্লাইট ধরা যাবে কি না। কিন্তু রিয়াধ বিমানবন্দরে শনিবারের পরিস্থিতি সেই চেনা দুশ্চিন্তাকে ছাপিয়ে যায়। আচমকা জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ, নিরাপত্তার কারণে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া এবং উড়ান বাতিলের ঘটনায় কার্যত থমকে যায় বিমান চলাচল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের পর বিমানবন্দরে আহত ব্যক্তিদের পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে এক ডজনেরও বেশি অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছয় বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এবং সবিস্তার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি তরফে বিস্তারিত বিবৃতি পাওয়া যায়নি। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই ফের হামলার খবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। শনিবার, ১০ অক্টোবর, নতুন করে হামলার খবর সামনে আসার পর বিমানবন্দর খালি করানো হয়েছে এবং বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুই আঞ্চলিক আধিকারিক। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (AP) প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র দু’দিন আগেই এই বিমানবন্দরে হামলায় তিন সৌদি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল, যাঁদের মধ্যে ছিলেন এক বিমানচালকও। নতুন করে হামলার ঘটনায় সৌদি আরবের বিমান পরিষেবা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রিয়াধগামী বিমান পরিষেবা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম Flightradar24-এর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াধগামী উড়ানগুলিকে অন্য বিমানবন্দরে পাঠানো হয় অথবা বাতিল করা হয়। যাত্রীদের বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের অবস্থা জেনে নিতে বলা হয়। কুয়েত এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় তারা রিয়াধগামী উড়ান বাতিল করছে। ফলে যাঁরা সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন অথবা রিয়াধ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার কথা ছিল, তাঁদের যাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কানাডার দূতাবাসও নাগরিকদের রিয়াধ বিমানবন্দরে যাতায়াত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। দূতাবাসের সতর্কবার্তায় চলমান সামরিক তৎপরতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রিয়াধের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে তার প্রভাব পড়তে পারে একাধিক দেশের যাত্রীদের উপর। যাঁদের রিয়াধ হয়ে অন্য দেশে যাওয়ার কথা, তাঁদের কানেক্টিং ফ্লাইটও ব্যাহত হতে পারে। রিয়াধ বিমানবন্দরে শনিবারের হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং বিমান চলাচল কখন স্বাভাবিক হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের পরিস্থিতি আরও কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।