Road Accident : ডিভাইডার ভেঙে রাস্তার ধারে নর্দমায় গিয়ে পড়ল গাড়ি, ৮ তীর্থযাত্রীর মৃত্যু ; জখম ১৭
ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার ভেঙে রাস্তার ধারে একটি নর্দমায় গিয়ে পড়ল যাত্রীবাহী একটি টেম্পাো ট্রাভেলার। দুর্ঘটনায় অন্তত আটজনের মৃত্য়ু এবং ১৭ জন জখম হয়েছেন। মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজস্থানের খাটু শ্যাম মন্দিরে যাচ্ছিল তীর্থযাত্রীবাহী গাড়িটি। কোটা জেলায় দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনাটি

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার ভেঙে রাস্তার ধারে একটি নর্দমায় গিয়ে পড়ল যাত্রীবাহী একটি টেম্পাো ট্রাভেলার। দুর্ঘটনায় অন্তত আটজনের মৃত্য়ু এবং ১৭ জন জখম হয়েছেন। মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজস্থানের খাটু শ্যাম মন্দিরে যাচ্ছিল তীর্থযাত্রীবাহী গাড়িটি। কোটা জেলায় দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ আধিকারিকরা বলেন, ২৫ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল টেম্পো ট্রাভেলারটি। যাদের অধিকাংশই মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার বাসিন্দা। শুক্রবার রাতে বেতুল ছাড়েন তাঁরা। শিকার জেলার রিঙ্গুসে খাটু শ্যাম মন্দিরে যাওয়ার পথে শনিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সিমলিয়া স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) নন্দ সিং জানিয়েছেন, গাড়িটি কারাদিয়া টোল প্লাজা পার হয়ে সুলতানপুরের দিকে যাওয়ার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। গাড়িটি ডিভাইডার ভেঙে নর্দমায় পড়ে যায় এবং একটি দেওয়ালে গিয়ে ধাক্কা খায়। নিহতদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় পাওয়া গেছে-তাঁরা হলেন অরুণা, বৈষ্ণবী, তৃষা, কৃষ্ণা, অনিতা, ওম সূর্যবংশী ও রাজু ; তবে অষ্টম ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দুর্ঘটনায় মোট ১৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যদিও এখন পর্যন্ত কেবল কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন হেমলতা গায়কোয়াড়, অজয়, বংশিকা, মনীষা, চিত্রেশ, সারাংশ, চেতন, কৃষ্ভি, বৈধি, নীলু, সন্তোষ, বর্ষা ও কমলেশ। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ও আহত ব্যক্তিরা একে অপরের আত্মীয় বা পারিবারিক বন্ধু বলে মনে করা হচ্ছে। আটজন নিহতের মরদেহ কোটায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনাটি সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ঘটে। চারজন যাত্রী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। আর বাকি চারজন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। এই সংঘর্ষে গাড়িটির সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ফলে বেশ কয়েকজন যাত্রী ভেতরে আটকা পড়েন। পুলিশ ধারণা করছে যে, গাড়ি চালানোর সময় চালক হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। গ্রামবাসী ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং যাত্রীদের সাহায্য করতে শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে পুলিশ কর্মী, ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এনএইচএআই)-এর উদ্ধারকারী দল এবং জরুরি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা এই উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, নালা থেকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটিকে তুলে আনার জন্য এনএইচএআই-এর একটি ক্রেন ব্যবহার করা হয়।