Sabyasachi Dutta: সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ১৭৫৭ পাতার চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর দাবি পুলিশের
আবীর দত্ত, আশাবুল হোসেন, কলকাতা: সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে বারাসাত আদালতে চার্জশিট দিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। চার্জশিটে পুলিশের তরফে দাবি করা হল, সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে প্রায় ১৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১০ কেজি সোনা। [yt]https://youtu.be/lzYtGBiZ3hY?si=ya06NN

আবীর দত্ত, আশাবুল হোসেন, কলকাতা: সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে বারাসাত আদালতে চার্জশিট দিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। চার্জশিটে পুলিশের তরফে দাবি করা হল, সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে প্রায় ১৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১০ কেজি সোনা। [yt]https://youtu.be/lzYtGBiZ3hY?si=ya06NNnDvRGKmwhs[/yt] আরও পড়ুন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে নতুন করে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, এবার থেকে প্রতিমাসে কবে ‘টাকা-ট্রান্সফার’ ? “সেপ্টেম্বর থেকে এই তারিখের মধ্যে..” সল্টলেকের এক ব্যবসায়ীর থেকে ১ কোটি টাকা তোলা চাওয়ার অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই জুন মাসে সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করেছিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ।তাঁর বিরুদ্ধে এবার বারাসাত আদালতে চার্জশিট দিল পুলিশ। সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতারির ৫৬ দিনের মাথায়, বুধবার বারাসাত আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। ১৭৫৭ পাতার এই চার্জশিটে পুলিশের, তরফে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে,সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে প্রায় ১৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১০ কেজি সোনা।এছাড়াও শেয়ার ও নগদ মিলিয়ে ১৫ কোটি টাকার ওপর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এর আগে জানা গিয়েছিল, ৬ কেজি সোনা সব্যসাচী দত্ত ও টিনা সাহা ভৌমিকের থেকে ৬ কেজি মতো সোনা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু চার্জশিটে এখন জানা যাচ্ছে ৬ কেজি নয়, সোনার পরিমাণ আরও বেশি, ১০ কেজি। সল্টলেকের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তোলা চাওয়ার ভাইরাল অডিও সামনে আসতেই তোলপাড় পড়ে যায়। অভিযোগকারীর দেওয়া অডিও ক্লিপ যাচাই করতে, বারাসাত আদালতে তাঁর কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সংগ্রহ করা হয় সব্যসাচী দত্ত ,তাঁর সহযোগী বিদ্যুৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও অভিযোগকারী মধুসূদন চক্রবর্তীর কণ্ঠস্বরের নমুনা। বুধবার আদালতে পুলিশের তরফে যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, যে ভাইরাল কল রেকর্ডিং সামনে এসেছে, তার কণ্ঠস্বর সব্যসাচী দত্তেরই। ফরেন্সিক রিপোর্টে তা প্রমাণিত হয়েছে। চার্জশিটে এও বলা হয়েছে ভোটের আগে যে সম্পত্তির হিসাব দেওয়া হয়েছিল সেই তথ্যে অনেক কম সম্পত্তি দেখানো হয়েছিল।স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর বিভাস চট্টোপাধ্য়ায় আদালতে দ্রুত ট্রায়ালের আবেদন জানিয়েছেন।