Savita Punia: অলিম্পিক্স পর্যন্ত বন্ধ মিষ্টি, ফাস্টফুড, কীভাবে নিজেদের প্রস্তুত করছে ভারতীয় মহিলা হকি দল?
নয়াদিল্লি: টোকিও অলিম্পিক্সে অল্পের জন্য পদক হাতছাড়া হয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দলের(Indian Womens Hockey Team)। তারা চতুর্থ স্থান অধিকার করেছিল। কিন্তু পদক না জিতলেও মহিলা হকি প্লেয়ারদের দুরন্ত লড়াই গোটা ভারতবাসীর মন ছুঁয়ে নিয়েছিল। যদিও প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যত অর্জন করতে পারেনি ভারতীয় মহিলা হক

নয়াদিল্লি: টোকিও অলিম্পিক্সে অল্পের জন্য পদক হাতছাড়া হয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দলের(Indian Womens Hockey Team)। তারা চতুর্থ স্থান অধিকার করেছিল। কিন্তু পদক না জিতলেও মহিলা হকি প্লেয়ারদের দুরন্ত লড়াই গোটা ভারতবাসীর মন ছুঁয়ে নিয়েছিল। যদিও প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যত অর্জন করতে পারেনি ভারতীয় মহিলা হকি দল। তবে দলের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন ও অভিজ্ঞ গোলরক্ষক সবিনা পুণিয়া(Savita Punia) ভারতীয় দলের আগামীর লক্ষ্য ও তার জন্য কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে দল, তা তুলে ধরেছেন। ২০২৮ সালে লস অ্য়াঞ্জেলসে বসতে চলেছে অলিম্পিক্সের আসর। সবিতা বলছেন, ' ২০২৮ সালে আগামী অলিম্পিক্সের আসর লস অ্য়াঞ্জেলসে। সেই অলিম্পিক্সে নামার আগে পর্যন্ত পুরো ভারতীয় মহিলা হকি দল ও দলের সব সদস্যই মিষ্টি, চকোলেট ও ফাস্ট ফুড খাওয়া থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। তারা শপথ নিয়েছে, এমন কিছু তারা করবে না।' সবিতা আরও বলেন, 'দলের স্ট্রেংথ অ্য়ান্ড কন্ডিশনিং কোচ ওয়েন লোম্বার্ডের নির্দেশেই টোকিও অলিম্পিক্সের আগে থেকেই এমন ডায়েট প্ল্যান শুরু হয় আমাদের। এর প্রথম শর্তই ছিল যে আমাদের চিনি খাওয়া একদম বন্ধ করে দিতে হবে। এছাড়াও যে কোনও ফাস্টফুট, জাঙ্কফুড, চকোলেট, মিষ্টি সবকিছু থেকে সরে থাকতে হবে। সেই নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে এখনও।' View this post on Instagram A post shared by Hockey India (@hockeyindia) মেয়েরা কতটা নিয়ম মানতে বদ্ধপরিকর, তার একটা উদাহরণও দিয়েছেন সবিতা। তিনি জানান যে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে FIH হকি নেশনস কাপ জয়ের পর একটি কেক আনা হয়েছিল টিম হোটেলে। কিন্তু কেউই সেটি খাবেন না বলে কেকটি আর কাটা হয়নি। এই সব আত্মত্যাগই প্রতিটি প্লেয়ারকে আরও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলেছে বলে মনে করেন সবিতা। তিনি বলেন, প্রিয় খাবার ত্যাগ করা, পরিবার থেকে দূরে থাকা ও শারীরিক কষ্টের মধ্যেও অনুশীলন চালিয়ে যাওয়া খেলোয়াড়দের আরও ভাল পারফর্ম করতে মানসিকভাবে উৎসাহিত করে। এই ত্যাগগুলোই তাদের মনে করিয়ে দেয় যে তারা দেশের জন্য কতটা কঠোর পরিশ্রম করছে।' দেশের হয়ে ৩০০ আন্তর্জাতিক ম্য়াচ খেলা সবিতা আরও বলছেন, 'বিশ্বকাপের দিকে আমাদের পাখির চোখ এখন। প্রতিটি ম্য়াচই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতি ম্য়াচ করে এগোতে চাই। ইংল্যান্ড ও চিন খুবই শক্তিশালী দল। আমাদের ডিফেন্সকে আরও শক্ত রাখতে হবে।'