SpaceX Rocket Crash on Moon: পাঁচ তলা বাড়ির সমান রকেট আছড়ে পড়ল চাঁদের মাটিতে, নতুন গহ্বরের সৃষ্টি হল চন্দ্রপৃষ্ঠে
নয়াদিল্লি: চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়ল রকেট। ধনকুবের ইলন মাস্কের সংস্থা SpaceX-এর Falcon 9 রকেটের অংশ বিশেষ সজোরে আছড়ে পড়েছে চাঁদের বুকে। এতে পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে চাঁদের মাটিতে নতুন একটি গহ্বর সৃষ্টি হচ্ছে। (Rocket Crash on Moon) পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের সমান রকেটের অংশটি আছড়ে পড়েছে

নয়াদিল্লি: চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়ল রকেট। ধনকুবের ইলন মাস্কের সংস্থা SpaceX-এর Falcon 9 রকেটের অংশ বিশেষ সজোরে আছড়ে পড়েছে চাঁদের বুকে। এতে পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে চাঁদের মাটিতে নতুন একটি গহ্বর সৃষ্টি হচ্ছে। (Rocket Crash on Moon) পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের সমান রকেটের অংশটি আছড়ে পড়েছে চাঁদের মাটিতে। চাঁটের মাটিতে আছড়ে পড়ার সময় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ হাজার ৬৯০ কিলোমিটার। রকেটটি আছড়ে পড়ায় কয়েক মাইল উঁচু ধুলোর মেঘ তৈরি হয়। কিন্তু সূর্যালোকের জেরে খালিচোখে পৃথিবী থেকে দেখা যায়নি। তবে চাঁদের মাটিতে পাকাপাকি ভাবে দাগ বসাল SpaceX. (SpaceX Rocket Crash on Moon) আরও পড়ুন: পর পর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দুবাই, ২০ মিনিটে ৭টি, ভিডিও ভাইরাল আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA জানিয়েছে, রকেট আছড়ে পড়ার তাঁদের মাটিতে ৬০ ফুট চওড়া এবং ১২ ফুট গভীর নতুন গহ্বর তৈরি হতে চলেছে। রকেট আছড়ে পড়ার আগে এবং পরের অবস্থার ছবিও প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। SpaceX-এর Falcon 9 রকেটের উপরিভাগ আছড়ে পড়েছে চাঁদের মাটিতে, যা আপার স্টেজ নামেও পরিচিত। ২০২৫ সালে সেটিকে চাঁদের কক্ষপথে পাঠানো হয়েছিল। ল্যান্ডারকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন ছিল। ফলে পরিত্যক্ত হয়ে উপরের অংশটি রয়ে গিয়েছিল সেখানেই। দিশাহীন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। আরও পড়ুন: চাঁদের বুকে আছড়ে পড়বে রকেট, ঘটবে তীব্র বিস্ফোরণ, আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই, দেখা যাবে পৃথিবী থেকেও চাঁদের বুকে রকেট আছড়ে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সাধারণত মহাকাশ আবর্জনা পৃথিবীতেই ফিরে আসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে ঘর্ষণ লেগে শূন্যেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে অংশ বিশেষ মাটিতে এবং সাগরে আছড়ে পড়ার নিদর্শনও রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে চাঁদের কক্ষপথেই যেহেতু ফেলে রেখে আসা হয়েছিল রকেটটিকে। তাই চাঁদের বুকেই আছড়ে পড়ল সেটি। SpaceX-এর ডিরেক্টর অফ নাসা সায়েন্স অ্যান্ড ড্রাগন প্রোগ্রামসের ডিরেক্টর জুলিয়ানা শেম্যান জানান, সৌর্য কার্যকলাপ এবং মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবেই রকেটের অংশটি চাঁদের দিকে ধাবিত হয়। রকেট আছড়ে পড়ার প্রভাব ঠিক কতটা পড়েছে চাঁদের মাটিতে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সময়ের সঙ্গে বিষয়টি বোঝা যাবে বলে জানিয়েছে NASA.' তবে এই ঘটনায় উদ্বেগও বেড়েছে। কারণ পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৫৯ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত চাঁদের মাটিতে ৬০টিরও বেশি রকেট, স্যাটেলাইট, ল্যান্ডার আছড়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে চাঁদের মাটিতে মানুষের নির্মিত ২০০ টন ওজনের জিনিসপত্র পড়ে রয়েছে সেখানে। মহাকাশ আবর্জনা যেভাবে বেড়ে চলেছে, তা পৃথিবীর জন্যও বিপজ্জনক বলে মত বিজ্ঞানীদের।