Strait of Hormuz: ওমানের সঙ্গে চুক্তি, এবার কি হরমুজের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে ইরানের হাতে?
নয়া দিল্লি: বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোর মধ্যে অন্যতম হল হরমুজ প্রণালী। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের আগে বিশ্বের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের একটা বিরাট অংশ ওই পথ দিতেই যাওয়া আসা করত। গত কয়েক দশক ধরে এই সমুদ্রপথে বিভিন্ন দেশের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস কোনও দেশকে কোনও টোল না দিয়েই

নয়া দিল্লি: বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোর মধ্যে অন্যতম হল হরমুজ প্রণালী। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের আগে বিশ্বের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের একটা বিরাট অংশ ওই পথ দিতেই যাওয়া আসা করত। গত কয়েক দশক ধরে এই সমুদ্রপথে বিভিন্ন দেশের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস কোনও দেশকে কোনও টোল না দিয়েই যাতায়াত করত। আরও পড়ুন: ১৩ বছরে ১২ টি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, অনুপ্রেরণা হতে পারলেন না ইনি, নাম জড়াল ৪০ কোটির শিক্ষা দুর্নীতিতে! সংবাদসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালী নিয়ে একটা নতুন সমঝোতায় পৌঁছেছে। যেখানে জানানো হয়েছে পার্সিয়ান গাল্ফে যে সব জাহাজ ঢুকবে, তারা সব সময় ইরানের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ইরানের বিদেশ মন্ত্রক এই বিষয়ে জানিয়েছে, তেহরান ও মাস্কাট হরমুজের মধ্যে একটা নতুন নৌপথের বিষয়ে একমত হয়েছে। এই বিষয়ে সমঝোতা চলছে। দুই দেশ সময়মতো নিজেদের বিবৃতি প্রকাশ করবে। ইরান আরও জানিয়েছে নতুন এই নৌপথ এমন ভাবেই তৈরি করা হয়েছে যাতে যে কোনও বাণিজ্যিক জাহাজ ইরানের জলসীমাই সর্বদা ব্যবহার করে। বর্তমানে পার্সিয়ান গাল্ফে প্রবেশ করতে ইরান বা ওমনের কোনও অনুমতির প্রয়োজন হয় না জাহাজের। কিন্তু আগামীতে এই ব্যবস্থায় বিরাট বদল আসতে পারে। সংবাদসংস্থা রয়টার্স বলছে, ইরানের জলসীমা দিয়ে যাতায়াত করলে পারস্য উপসাগরে যে যে জাহাজ ঢুকবে তার উপর তদারকি ও নজরদারি করতে পারবে তেহরান। আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ গেমস খেলতে গিয়ে গ্লাসগোতে হারিয়ে গেলেন কুদরতুল্লা, কেন বারবার হারিয়ে যান পাকিস্তানি বক্সাররা? এর একটা সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে। কারণ, হরমুজ প্রণালীকে বিশ্বের প্রায় সব দেশই বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সংকীর্ণ তেল পরিবহনের পথ হিসাবে বর্ণনা করা হয়। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের পাঁচ ভাগের প্রায় ১ ভাগ এই পথ দিয়েই যাতায়াত করে। আর সেই জায়গায় কোনও দেশ যদি প্রভাব বিস্তার করে তাহলে বিশ্বের জ্বালানির বাজারের উপর বিরাট একটা কৌশলগত সুবিধা পাবে সেই দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যদি এই ক্ষমতা পায়, তাহলে গত কয়েক বছরের মধ্যে এটাই হবে তেহরানের সব থেকে বড় কূটনৈতিক জয়। এর ফলে আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যেও একটা বিরাট বদল আসবে।