Sudip Bandyopadhyay: 'নয়নার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি দুর্বলতা রয়েছে', স্ত্রী'কে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য সুদীপের
কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা : নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এবার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এনসিপিআই সাংসদ বলেছেন, 'আমার স্ত্রী নয়নার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি দুর্বলতা আছে। সে ওই দলেই আছে। সৌগত রায়, তথাগত রায় একই বাড়িতে থাকেন পাশাপাশি। তথাগত রায় বিজেপির সর্বভারতীয় পর্যায়ের নেতৃত

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা : নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এবার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এনসিপিআই সাংসদ বলেছেন, 'আমার স্ত্রী নয়নার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি দুর্বলতা আছে। সে ওই দলেই আছে। সৌগত রায়, তথাগত রায় একই বাড়িতে থাকেন পাশাপাশি। তথাগত রায় বিজেপির সর্বভারতীয় পর্যায়ের নেতৃত্বে আছেন। সৌগত তাঁর বিপক্ষে আছেন। কেরল, কর্নাটক থেকে এরকম বহু... ভূরি ভূরি প্রমাণ আছে। নয়নার কাজের পরিধিটা সম্পূর্ণ ভাবেই চৌরঙ্গী বিধানসভাকে কেন্দ্র করে। আমি যখন অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছি, একাধিকবার, একবার নয়নাও সঙ্গে ছিল, অমিত শাহ ওকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবার বিধানসভায় জিততে কতটা কষ্ট হয়েছে। তখন নয়না অমিত শাহকে বলেছে যে আপনি সেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন, তাতে কিছুটা তো কষ্ট হয়েছে। যার কাজের পরিধি একটা বিধানসভা কেন্দ্র ভিত্তিক, সেটা আমার কাছে খুব বেশি মাথাব্যথার কারণ না। ও ওখানে থাকবে কিনা সেটা আমি সম্পূর্ণভাবে ওর অভিমতের উপরেই ছেড়ে দিয়েছি। তবে সম্প্রতি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। সেটা ওর প্রশাসনিক কাজের জন্যে হতে পারে।' 'আপনি রাজনীতির নর্দমায় বাস করছেন, আপনার মুখ থেকে কোনও কথা শুনব না', ফের সুদীপকে তোপ কুণালের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোটে লড়েছিলেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির সন্তোষ কুমার পাঠককে হারিয়ে জয়ী হন তিনি। বর্তমানে তিনি চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা। এখন তিনি রয়েছেন মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরে। অন্যদিকে, লোকসভার সচিবালয়ের পাঠানো চিঠির উত্তর দিতে আরও ১৪ দিন সময় চাইল সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, কাকলি ঘোষদস্তিদারদের NCPI. এনিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ২০ জন NCPI সাংসদকে নিয়ে বৈঠক ডাকেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তবে, বৈঠকে ১০ জন সাংসদ অর্থাৎ অর্ধেকই আসেননি। এই নিয়ে চতুর্থবার। লোকসভার সচিবালয়ের পাঠানো চিঠির উত্তর দিতে আরও ১৪ দিন সময় চাইল সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, কাকলি ঘোষদস্তিদারদের NCPI. তৃণমূলের প্রতীকে জিতে আসা ২০ জন লোকসভার সাংসদ NCPI-তে মিশে গেছেন। এরপরই দলত্যাগ-বিরোধী আইনে তাঁদের সাংসদ পদ বাতিলের জন্য আবেদন জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি, যার প্রেক্ষিতে ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে নোটিস পাঠিয়ে তাঁদের বক্তব্য় জানতে চায় লোকসভার সচিবালয়। এখনও অবধি সেই উত্তর দিয়ে উঠতে পারেননি NCPI সাংসদরা।