Super Typhoon Champi : বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়, এগোচ্ছে সুপার টাইফুন চাম্পি, ঘটাবে তাণ্ডব, হাইঅ্যালার্ট
আবার একটা ঘূর্ণিঝড়। প্রশান্ত মহাসাগরে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে সুপার টাইফুন চাম্পি। আবহবিদদের দেওয়া সর্বশেষ আপডেট অনুসারে, ঝড়ের গতিবেগ পৌঁছে যায় ঘণ্টায় প্রায় ২৯৬ কিলোমিটারে।টাইফুন চাম্পির ভয়াবহতা হারিয়ে দিতে পারে ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত ঘটা সব ঝড়কেই। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্য়

আবার একটা ঘূর্ণিঝড়। প্রশান্ত মহাসাগরে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে সুপার টাইফুন চাম্পি। আবহবিদদের দেওয়া সর্বশেষ আপডেট অনুসারে, ঝড়ের গতিবেগ পৌঁছে যায় ঘণ্টায় প্রায় ২৯৬ কিলোমিটারে।টাইফুন চাম্পির ভয়াবহতা হারিয়ে দিতে পারে ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত ঘটা সব ঝড়কেই। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্য়ে অন্যতম হিসেবে উঠে এসেছে চাম্পির নাম। ঝড়ের গতিবেগ, তীব্রতা নজর কেড়েছে আবহবিদদের। মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, মার্কিন সময় অনুযায়ী বিকেলের দিকে চাম্পির বাতাসের গতিবেগ ছিলঘণ্টায় প্রায় ১৮৫ মাইল বা ২৯৮ কিলোমিটারের কাছাকাছি পৌঁছেছিল বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন আবহাওয়া সংস্থার পরিমাপের পদ্ধতি ও সময়ের পার্থক্যের কারণে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগের হিসাব কিছুটা আলাদা হতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্বের অন্যান্য সমুদ্রের তুলনায় পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের উপর বেশি শক্তিশালী টাইফুন তৈরি হয়। কারণ সেখানে ঝড় তৈরির পরিস্থিতি অপেক্ষাকৃত অনুকূল। কারণ কোনও ঝড় যত বেশি পথ সমুদ্রের উপর দিয়ে অতিক্রম করে, তা তত শক্তিশালী হয়। উষ্ণ সমুদ্রের জল থেকে পাওয়া শক্তি, অনুকূল বায়ুপ্রবাহ এবং বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন পরিস্থিতি একসঙ্গে মিললে ঝড় বেশি শক্তিশালী হয়। চাম্পির শক্তি সেই বিষয়টিকেই আবার সামনে এনেছে। ২০২৬ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের কার্যকলাপ তুলনায় কম থাকলেও প্রশান্ত মহাসাগরে একাধিক শক্তিশালী ঝড় তৈরি হয়েছে। এর আগে উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে হারিকেন পোলোও অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। পরে চাম্পি বাতাসের গতিবেগের নিরিখে সেই রেকর্ড ছাপিয়ে যায় বলে বিভিন্ন আবহাওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নাম আলাদা হলেও হারিকেন, টাইফুন এবং সাইক্লোন আসলে একই ধরনের ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। ঝড়টি কোথায় তৈরি হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে নাম বদলে যায়। উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হলে এই ধরনের শক্তিশালী ঝড়কে বলা হয় টাইফুন। আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হলে তাকে বলা হয় হারিকেন। ভারত মহাসাগর-সহ অন্যান্য অঞ্চলে সাধারণত সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সাধারণভাবে, বাতাসের সর্বোচ্চ স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৯ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে ঘূর্ণিঝড়কে হারিকেন বা টাইফুনের শ্রেণিতে ফেলা হয়। তবে বিভিন্ন আবহাওয়া সংস্থার পরিমাপের সময়সীমা ও শ্রেণিবিভাগের পদ্ধতিতে কিছু পার্থক্য রয়েছে। এল নিনোর সময় ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক প্রবাহে পরিবর্তন আসতে পারে। সেই পরিবর্তন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা এবং ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করতে পারে। এখন তেমনটাই ঘটছে।