Suvendu Adhikari: 'ক্ষতিপূরণ দিয়ে তো আর এই শূণ্যস্থান পূরণ হওয়ার নয়', বহরমপুরে স্কুলবাস দুর্ঘটনায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
বাঁকুড়া: "একবারে ফুলের মতো বাচ্চাগুলো মারা গিয়েছে, এটা খুবই বেদনাদায়ক...", বহরমপুরে (Berhampur) স্কুল বাসে সকালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা (Accident) প্রসঙ্গে বাঁকুড়ায় মেজিয়ায় পৌঁছে এমনটাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ৫ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ

বাঁকুড়া: "একবারে ফুলের মতো বাচ্চাগুলো মারা গিয়েছে, এটা খুবই বেদনাদায়ক...", বহরমপুরে (Berhampur) স্কুল বাসে সকালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা (Accident) প্রসঙ্গে বাঁকুড়ায় মেজিয়ায় পৌঁছে এমনটাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ৫ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রসঙ্গেও বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শ্যাম স্টিলের কারখানার নতুন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে আজ সকালে বহরমপুরে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা। আমি ভগবানের কাছে ওই বাচ্চাগুলির আত্মার শান্তি কামনা করি। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আর প্রার্থনা করব, যে দু'জনের চিকিৎসা চলছে তাদের আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়েছি, বোর্ড বসিয়েছি। আমরা তাদের যেন ভাল করতে পারি দেখব। রেলের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা হয়েছে। আমাদেরও ভাবনা চিন্তায় আছে। এত ছোট ছোট বাচ্চা, ওই জন্য আমি এই মুহূর্তে ডিএমকে একটা নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু এখনই বলছি না। কারণ এটা বলার মতো মানসিকতা বা পরিবেশ নেই। আমরা পরিবারের সঙ্গ কথা বলব। কিন্তু ক্ষতিপূরণ দিয়ে তো আর এই শূণ্যস্থান পূরণ হওয়ার নয়। একেবারে ছোট ছোট ফুলের মতো বাচ্চা মারা গিয়েছে। গেটম্যানকে গ্রেফতার তো করা হয়েছে। আমি পুলিশকে বলেছি, ও মদ্যপ ছিল কি না সেটা মেডিকেল টেস্ট করাতে। রেলের পক্ষ থেকে তাঁরা ব্যবস্থা নিচ্ছেন। মানুষের ভুলের জন্য এটা হয়েছে। এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়। এটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ গেটম্যান করেছে। এটা ক্ষমা করা মতো জায়গায় নেই।" পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল আজই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিগত সরকারকে তোপ দেগে জানান, তৃণমূল আমলে বিভিন্ন জায়গায় অনুমোদন থাকার পরও ওভারব্রিজ করতে দেওয়া হয়নি। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "এগুলো দোষারোপ করার সময় নয়। আমি এখানে পশ্চিমবঙ্গে একটা বিনিয়োগের জন্য এসেছি। ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে। বহু মানুষের কাজ হবে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এই সব জায়গায় শিল্প না আনতে পারলে এখানকার পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হবে না। অনুসারী শিল্পের প্রসারও ঘটবে না। এখানকার প্রতিটি গ্রাম থেকে হাজার হাজার ছেলে চলে গিয়েছে অন্য জায়গায় কাজ করতে। তাঁরাও ফিরে আসবেন। এর সঙ্গে সরকারের রেভিনিউ জড়িয়ে। বিদ্যুৎ, জল, জিএসটি থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের যে অর্থনৈতিক অবস্থা আছে, এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের রেভিনিউ বাড়বে। সেই কারণে এটি একটি বড় উদ্যোগ, শুভ উদ্যোগ, বাংলার পক্ষে ভাল উদ্যোগ।"