Suvendu Adhikari: 'সুজন-সূর্য বলে আমরা নাস্তিক...', CPM-কে 'মাকু' সম্মোধন করে জ্ঞানেশকাণ্ড নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা: মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্য়াগের দাবিতে জাতীয় স্তরে পাশাপাশি এসেছে সিপিএম এবং মমতা-তৃণমূল কংগ্রেস। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি-র সঙ্গে ফোনে কথাও হয়েছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের। ইন্ডি-জোটের বৈঠকেও দেখা গেছে দু'জনকে। সেই প্রসঙ্গ টেনে শুক্রবার কটাক্ষ ছুড়ে দেন মুখ্য়মন্ত্রী শু

কলকাতা: মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্য়াগের দাবিতে জাতীয় স্তরে পাশাপাশি এসেছে সিপিএম এবং মমতা-তৃণমূল কংগ্রেস। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি-র সঙ্গে ফোনে কথাও হয়েছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের। ইন্ডি-জোটের বৈঠকেও দেখা গেছে দু'জনকে। সেই প্রসঙ্গ টেনে শুক্রবার কটাক্ষ ছুড়ে দেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্য়াগের প্রসঙ্গে শুক্রবার CPM ও তৃণমূলকে এক আসনে বসিয়ে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ''মাকুরা, যারা বলে 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি', টুকরে টুকরে গ্য়াং। সুজন-সূর্য বলে আমরা নাস্তিক। তারা আর মমতা-তৃণমূল এখন এক হয়েছে। এই তৃণমূলটা তৈরি হয়েছিল তখন অটলজিও আশীর্বাদ করেছিলেন। সিপিএমের অত্য়াচার থেকে বাংলাকে বাঁচানোর জন্য়। আর আজকে বেবি আর আন্টি দু'জনে একসঙ্গে চা খাচ্ছেন। বলছে, আমরা দু'জন ভাই আর বোন। '' অন্যদিকে শনিবার গড়বেতায় 'গণতন্ত্র বাঁচাও' কর্মসূচিতে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সভা থেকে ফের আক্রমণ সানালেন বাম ও তৃণমূলকে। তিনি বলেন, "এখন তো যাহা তৃণমূল, তাহাই সিপিএম। দু'পক্ষ মিলেমিশে একাকার হয়ে আবার সেই নৈরাজ্যের দিন ফিরিয়ে আনতে চায়।" পাশাপাশি, দিল্লিতে I.N.D.I.A জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএম-এর এম এ বেবির মধ্যে সৌজন্যতাকেও নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আজ দিল্লিতে বেবি আর আন্টি দু'জনের ভাব হয়ে গিয়েছে। আন্টি মানে কে জানেন তো! একটাই আন্টি পিসি। আর সিপিএম-এর সর্বভারতীয় সম্পাদক এমএ বেবি...এই দু'জনের এখন ভাব-ভালবাসা হয়ে গিয়েছে।"আরও পড়ুন - 'আমার যাবার সময় হল...', ইন্দ্রনীল গ্রেফতার হতেই মমতার নাম করে গান ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী, কী জানালেন ? জ্ঞানেশ কুমারের পদত্য়াগের প্রসঙ্গে বিরোধীদের কটাক্ষ করার পর, বাম আমলের বিভিন্ন ঘটনার পুরো ফাইলগুলোও খোলা হবে বলে শনিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "বাম আমলে হওয়া অপরাধের ফাইল খুলব। গড়বেতায় যে সিপিএম অফিস ছিল, সেখান থেকে যারা যারা বন্দুক নিয়ে নন্দীগ্রামে রক্তাক্ত সূর্যোদয় ঘটাতে গিয়েছিল, তাদের কেস আমি রিওপেন করব। একটাকেও ছাড়া হবে না। আমি এর আগে ওদের জবাব দিয়েছি। তপন সুকুর একসময় বসেছিল, 'শুভেন্দু অধিকারী ঢুকলে পা ভাঙব'। আমি তিন দিনের মধ্যে চন্দ্রকোনা রোডে এসে সুশান্ত ঘোষের বুকের উপর দাঁড়িয়ে সভা করে গিয়েছিলাম।"