Suvendu Adhikari on CJP: 'আরশোলা-ছারপোকারা যাতে এখানে বংশ বিস্তার না করতে পারে...' ফের আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা: ফের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিশানায় ককরোচ জনতা পার্টি। বাম থেকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ নিয়ে সুর চড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তমলুকে বিজেপির পার্টি অফিসের ভূমিপুজো অনুষ্ঠান থেকে ফের আক্রমণ। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ''দিমাগি নকশাল, টুকরে টুকরে গ্যাং, আরশোলা-ছারপোকারা যাত

কলকাতা: ফের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিশানায় ককরোচ জনতা পার্টি। বাম থেকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ নিয়ে সুর চড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তমলুকে বিজেপির পার্টি অফিসের ভূমিপুজো অনুষ্ঠান থেকে ফের আক্রমণ। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ''দিমাগি নকশাল, টুকরে টুকরে গ্যাং, আরশোলা-ছারপোকারা যাতে বংশ বিস্তার না করতে পারে। সে- ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। হলদিয়া পুরসভার নির্বাচনের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে দলের কর্মীদের। বিরোধীশূন্য করতে হবে এই পুরসভাকে। ৩০ টি আসনেই জিততে হবে''। তমলুক থেকে শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য, ''আগের সরকার রাষ্ট্রবাদ কী জানত না, তোষণের রাজনীতি জানত। আগের সরকার গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করতে চেয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ঘর সামলাতে পারছেন না। আমরা ৪৬ শতাংশ ভোট পেয়েছি রাজ্যে। পূর্ব মেদিনীপুরে আমরা ৫৬ শতাংশ ভোট পেয়েছি। মানুষ যে বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আছে। আগামীদিনে পুরভোট ও পঞ্চায়েত ভোটে প্রমাণ হবে।" এর আগে ককরোচদের করোনা ভাইরাসের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর থেকে আক্রমণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্য নষ্টের পিছনে বাম ও তৃণমূল সরকারকে দায়ী করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিরোধীরাও। কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'বিতর্ক, ক্যুইজ প্রতিযোগিতা, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা, এগুলো কালচারাল ইভেন্টের মধ্যে আনা দরকার। তাহলেই এই আরশোলা, ছারপোকা, দিমাগি নকশাল, টুকরে টুকরে গ্যাং, 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি' এই সমস্ত যে ভাইস, একেবারে করোনা ভাইরাসের মতো চেষ্টা করছে এদেরকে তাহলে আমাদের 'হিট' লাগত না স্প্রে করার জন্য।' CPM-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, 'ছাত্রদের মধ্যে আরশোলা, ছারপোকা কেউ খুঁজতে চান, তাহলে বুঝতে হবে, আসলে তিনি এবং তারা অত্যন্ত বেশি ভয় পেয়ে যাচ্ছেন।' এর আগে চোরবাগানে মৃত্যু মিছিল নিয়ে শনিবার পথে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোমবাতি জ্বালান ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা। এরপর রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর থেকে তাদের পরোক্ষে করোনো ভাইরাস বলে আক্রমণ করেন শুভেনদু অধিকারী।