Suvendu Adhikari On CJP: 'আরশোলা, ছারপোকা, দিমাগী নকশালরা করোনা ভাইরাস', আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা: আরশোলা, ছারপোকা, দিমাগী নকশালরা করোনা ভাইরাস, আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর। "আরশোলা, দিমাগী নকশালদের মোকাবিলা করতে ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী তৈরি করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী তৈরি করতে বছরে অন্তত ৩ দিন বিতর্ক, ক্যুইজ প্রতিযোগিতা করা উচিত। তাহলে আর আরশোলাদের হঠাতে স্প্রে-র প্রয়োজন পড়ত না। ৩

কলকাতা: আরশোলা, ছারপোকা, দিমাগী নকশালরা করোনা ভাইরাস, আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর। "আরশোলা, দিমাগী নকশালদের মোকাবিলা করতে ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী তৈরি করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী তৈরি করতে বছরে অন্তত ৩ দিন বিতর্ক, ক্যুইজ প্রতিযোগিতা করা উচিত। তাহলে আর আরশোলাদের হঠাতে স্প্রে-র প্রয়োজন পড়ত না। ৩৪ বছরের নাস্তিক কমিউনিস্ট, ১৫ বছরের জামাতিরা রাজ্যের ঐতিহ্য নষ্ট করেছে। এনসিসি তুলে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করেছিলেন মমতা", আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর। আরও পড়ুন: আবহাওয়া দফতরের চাকরি সামলেও AIR 15, বিহারের ছোট্ট গ্রাম থেকে আজ ISRO-তে বিজ্ঞানী এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী করার জন্য প্রত্যেক বছর ৩ দিন করে অন্তত বিতর্ক, ক্যুইজ প্রতিযোগিতা, তৎক্ষণিক বক্তৃতা; এইগুলো কালচারাল ইভেন্টের মধ্যে নিয়ে আসা দরকার। তাহলেই এই আরশোলা, ছারপোকা, দিমাগী নকশাল, টুকরে টুকরে গ্যাং, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, এই সমস্ত যে একেবারে করোনা ভাইরাসের মতো চেষ্টা করছে, এদের তাহলে আমাদের হিট লাগত না স্প্রে করার জন্য। এটা দরকার আছে।" একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আক্রমণ করেন বাম ও তৃণমূল জমানাকে। তিনি বলেন, "৩৪ বছরের নাস্তিক কমিউনিস্ট ও ১৫ বছরের জামাতিরা, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ঐতিহ্য সংস্কৃতি শেষ করেছে। এনসিসি তুলে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয় হিন্দ বাহিনী চালু করেছে। এনসিসি কেউ তুলে দেয়? আর অগ্নিবীরে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা যদি এনসিসি জানত, অনেক বেশি অগ্রাধিকার পেট। এনসিসি তুলে দেওয়ার মতো কাজ করেছে। ব্রতচারী তুলে দেওয়ার মতো কাজ করেছে। মাকে আম্মা; এই সব শিখিয়েছে। ফুফু, বুবু, রংধনু; এই সব কী? এই সব পরিবর্তন করা দরকার আছে।" আরও পড়ুন: এবার মক্কা ও মদিনাকে নিশানা করছে হুথিরা? ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার দাবি করছে সৌদি আরব এর পরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "সিঙ্গুরের টাটাকে যারা তাড়িয়েছে, তাদের ইতিহাস সিলেবাসের মধ্যে রাখা হয়েছে। এই সব জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এতে সময় লাগবে। পরের শিক্ষা বর্ষে অনেক কিছু পরিবর্তন দেখতে পাবেন।" সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী পাল্টা বলেন, "ওর কথায় সব কিছু চলবে না। সরকারের বিরুদ্ধে পতিবার প্রয়োজনে মানুষ করবেই। উনি দেখতে পাচ্ছেন না? পাশে, মণিপুরে! জ্বলছে। বিজেপির ক্ষমতা। মানুষ প্রয়োজনে রাস্তায় প্রতিবাদ করবে। তার উপর যদি বেশি অত্যাচার শাসক করে, সরকার করে। তাহলে মানুষ রাস্তাতে থাকবে, আইনকে সঙ্গে নিয়েই।"