Suvendu Adhikari-Sajjan Jindal: বাংলায় ফের বিনিয়োগ, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বৈঠক, বিদ্যুৎ-বন্দর-হাসপাতাল-মন্দিরের দায়িত্ব
কলকাতা: ফের রাজ্যে বিনিয়োগের জোয়ার। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বৈঠক। রাজ্যে বিদ্যুৎ ও বন্দরে বিনিয়োগ নিয়ে বৈঠক। নবান্নে JSW গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন, "শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। জানুয়ারিতে জিন্দলের বিদ্যুৎ প্

কলকাতা: ফের রাজ্যে বিনিয়োগের জোয়ার। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বৈঠক। রাজ্যে বিদ্যুৎ ও বন্দরে বিনিয়োগ নিয়ে বৈঠক। নবান্নে JSW গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন, "শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। জানুয়ারিতে জিন্দলের বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধন। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্ব নিতে চান সজ্জন জিন্দল। সরকারের শর্ত অনুযায়ী মেদিনীপুর মেডিক্যালের দায়িত্ব নিতে চান জিন্দল। রাজ্যের একাধিক মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে চান জিন্দল"। আজ ঘোষণা হতে পারে রাজ্যের নতুন শিল্প নীতি। তার আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে JSW গ্রুপের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ। বুধবার রাতে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, “সজ্জন জিন্দাল দেখা করেছেন। বড় বিনিয়োগ হচ্ছে। জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে মেদিনীপুরে পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটের ভূমিপুজো হবে।” স্বাভাবিকভাবে ওই প্রকল্পে কর্মসংস্থান হবে অনেক। আবার সামাজিক দায়িত্ব হিসাবে রাজ্য সরকারের সমস্ত শর্ত মেনে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে জিন্দল গোষ্ঠী। রাজ্যে ক্ষমতার আসার আগে থেকেই বিনিয়োগের আশা দেখিয়েছিল বিজেপি। ক্ষমতায় আসতেই সেই প্রতিশ্রুতি পূরণও করা হচ্ছে। এর আগে মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঠিক হয়, কোনও বিনিয়োগের অঙ্ক ১০০ কোটি বা তার বেশি হলে সেই সংস্থাকে দেওয়া হবে। সিঙ্গল উইন্ডো সুবিধা। ৩ বছরের মধ্যে সংস্থা প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারলে জমি ফেরত নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, কালীপুজোর আগে ঘোষিত হবে রাজ্যে শিল্পনীতি। সেই মতোই আজ ঘোষণা হতে পারে। শিল্প নিয়ে আগের সরকারকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর। রামনগরে গিয়ে আগের সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি বলেন, "আগের সরকারের সময় সব ভুয়ো ছিল। শুধু BGBS- করে গিয়েছে, শত শত কোটি টাকা ধ্বংস করেছে। আমরা চা, বিস্কুট, চা-সিঙারাতে শেষ করি। আগের সরকার যা করেছে, মানুষ সব দেখেছে। বাংলায় আরও বড় শিল্প হবে, বড় বড় শিল্প গোষ্ঠীগুলি এগিয়ে আসছে। ৩৩ জনের হাতে জমি তুলে দিয়েছি, যারা জমি চেয়েছেন তাদেরকেও জমি তুলে দেব"। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''শিল্প, বিনিয়োগের মাধ্যমেই সমৃদ্ধি আসে। মানুষের হাতে কাজ থাকলে, অর্থ থাকলেই সমৃদ্ধি''।