Suvendu Adhikari: তৃণমূলে পদত্যাগ করেই শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান, মুখ্যমন্ত্রী বললেন...
কলকাতা: তৃণমূলত্য়াগী সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইককে দলে নিয়েছে বিজেপি। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেন, নেতার থেকে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। শমীক ভট্টাচার্যের পাশে দাঁড়িয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন কোনও বৃহৎ স্বার্থে অ্যাচিভমেন্টের জন্য ছোট ছোট স্য়াকরিফাইস করতে হয়। ম

কলকাতা: তৃণমূলত্য়াগী সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইককে দলে নিয়েছে বিজেপি। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেন, নেতার থেকে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। শমীক ভট্টাচার্যের পাশে দাঁড়িয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন কোনও বৃহৎ স্বার্থে অ্যাচিভমেন্টের জন্য ছোট ছোট স্য়াকরিফাইস করতে হয়। মেচেদার কর্মীসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শমীক ভট্টাচার্যকে নিয়ে পোস্ট করবেন না, গালাগালি দেবেন না। রাষ্ট্রীয় স্বার্থ আছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তৃণমূলের সদ্য় পদত্য়াগী তিন রাজ্য়সভার সাংসদ - সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনজনকে রাজ্য়সভায় প্রার্থী করা হয়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক!তবে কি তৃণমূল নেতাদের যোগদানের জন্য দরজা খুলে দিল বিজেপি? আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল বিজেপির তৃণমূলীকরণ? রাজ্য সভাপতির উত্তরীয় পরিয়ে দলে নেওয়া নিয়ে সমালোচনা সুর শোনা যাচ্ছে বিজেপির অন্দরেও। এই অবস্থায় এদিন ফের একবার দলীয় অবস্থানের ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বিজেপিতে যোগ তৃণমূলের সদ্য় পদত্য়াগী তিন রাজ্য়সভার সাংসদের, কোন ভাবনা থেকে? রাজ্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এ বিষয়ে বলেছেন, 'তৃণমূলের জন্য দরজা বন্ধ। তৃণমূলের নেতাদের সাহায্য় ছাড়া আমাদের মানুষ দুই তৃতীয়াংশ সংখ্য়া গরিষ্ঠতা দিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিয়েছে। আমরা নিচুতলায়, প্রত্যেক বিধানসভায় চার্জশিট দিয়েছিলাম। এদের বিজেপি নেবে কেন? বিজেপির দরজা বন্ধ আছে। বিজেপির দরজা বন্ধ ছিল এবং আগামীদিনে বিজেপির দরজা বন্ধ থাকবে।' সূত্রের খবর, রবিবার মেচেদার কর্মীসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'শমীক ভট্টাচার্যকে নিয়ে পোস্ট করবেন না, গালাগালি দেবেন না। রাষ্ট্রীয় স্বার্থ আছে। সাংসদদের নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না।' রাজ্যসভার তিনজন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে দলে নেওয়ার বিষয়ে বর্তমান রাজ্য সভাপতির পাশেই দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন দুই রাজ্য সভাপতি। বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলছেন, 'আমাদের কাছে তৃণমূল তৃণমূলই। ভাল-খারাপ বলে কিছু হয় বলে আমার তো মনে হয় না। ও সোনার পাথরবাটির মতো। ভাল তৃণমূল একসময় ছিল ২০১১ সালের আগে যারা তৃণমূল করত ক্ষমতায় আসার আগে...' সাংবাদিকদের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয়, 'সুখেন্দুশেখর রায় এরা তাহলে কোন তৃণমূল হিসেবে আপনারা ধরে নিয়েছিলেন...' সুকান্ত উত্তর দেন, 'বৃহৎ স্বার্থটা বা যেটা আগামী দিনের লক্ষ্য বা গোল সেটা দেখা যায় না অনেকসময়। যখন দেখতে পাবেন, বুঝতে পারবেন।' রাজ্য়সভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্য়া ইতিমধ্য়েই কমে হয়েছে ১০। এবার তাঁরা পদ্ম-প্রতীকে জিতলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্য়সভায় বিজেপির সংখ্য়া বেড়ে হবে ৬। ফলে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার আরও কাছে পৌঁছে যাবে বিজেপি। আরও পড়ুন: Govinda-Sunita: আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করছেন সুনীতা আহুজা! ভিডিও তুলে পাঠানো হত গোবিন্দের ফোনে, তারপর...