Swarup Suman Meet: স্বরূপ বিশ্বাস নিয়ে বড় কোনও চমক অপেক্ষায় ? মুখ খুললেন রুদ্রনীল ঘোষ, “সেটিং সেটিং গন্ধ”,কটাক্ষ কুণালের
কলকাতা: বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক স্বরূপ বিশ্বাসের। পুরভোটের আগে এই সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে স্বাবাবিকভাবেই জল্পনা মোড় নিয়েছে। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নিজের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ ও বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। [yt]https://youtu.be/MIUJBFg_uY0?si=5e

কলকাতা: বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক স্বরূপ বিশ্বাসের। পুরভোটের আগে এই সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে স্বাবাবিকভাবেই জল্পনা মোড় নিয়েছে। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নিজের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ ও বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। [yt]https://youtu.be/MIUJBFg_uY0?si=5eig5t7Ccu9zhCjS[/yt] আরও পড়ুন, ভরা উৎসবের মাঝে মর্মান্তিক ঘটনা, চিকিৎসার 'গাফিলতিতে' নাবালকের মৃত্যুর অভিযোগ, বিক্ষোভ পরিবারের, অগ্নিগর্ভ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, লাঠিচার্জ পুলিশের মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, অরূপ বিশ্বাস এখন, গদ্দার শিবিরে নাম লিখিয়ে বসে আছেন। স্বরূপ বিশ্বাসকে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি নেতা তথা অভিনেতার সঙ্গে বসতে। ফলে অরূপ বিশ্বাস বা স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে কোনও প্রবলেম নেই। অ্য়াকচুয়ালি দখলদারিটা ছিল মূল উদ্দেশ্য। একটা ন্যারেটিভ তৈরি করা হচ্ছিল অন্যরকম। একটা শোনা যাচ্ছে যে, স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী, তিনি বিজেপির সমর্থনে বা বিজেপির প্রার্থী, বা বিজেপির সমর্থনে সরাসরি প্রার্থী হতে পারেন পুরভোটে। তো সেই সব সেটিংয়ের গল্প চলছিল কিনা, সেইসব তো কৌতুহল জাগবেই। তার বিরুদ্ধে নাকি বিজেপির এত ক্ষোভ। এত ইন্ড্রাস্ট্রি খারাপ। তো সেখানে যদি এরকম সুন্দর একটা ভিডিও থাকে, তবে তো সেটিং সেটিং গন্ধ, দুদিন বাদে তো জুঁই বিশ্বাসকে, বিজেপি প্রার্থী জুঁই বিশ্বাসকে, অথবা বিজেপি সমর্থিত জুঁই বিশ্বাস, তো বিজেপি পুরনো কর্মীদের তো জুঁই বিশ্বাস জিন্দাবাদ বলে ভোট করতে হবে।’ বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, স্বরূপ বিশ্বাস কতটা তৃণমূলের বিরাট নেতা, তা আমি জানি না। তবে এইটুকু জানি, সারা পশ্চিমবঙ্গবাসী জানে, যে টলিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রিকে কীকরে, ধ্বংসের পথে নিয়ে যেতে হয়, তার রাজপ্রাসাদ তৈরি করেছিলেন তিনি। সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে, ওনার কী কারণে কোন জায়গায় দেখা হয়েছে, সেটা তো খুব বলা মুশকিল। সাধারণ কোনও ঘটনা হতে পারে। এই ধরণের লোকজনের সঙ্গে যদি সৌজন্যমূলক নমষ্কার হয়, সেখান থেকে করে গেলে বেটার হত। এগুলি এড়িয়ে যাওয়াই বেটার। না হলে মানুষ কখনও ভুলও বুঝতে পারে।