Teacher New Rule: 'এখন থেকে যে শিক্ষকদের নিয়োগ করা হবে, তাঁরা করতে পারবেন না প্রত্যক্ষ রাজনীতি', বড় সিদ্ধান্ত সরকারের
কলকাতা: এখন থেকে যে শিক্ষকদের নিয়োগ করা হবে, তাঁরা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে শিক্ষক সংগঠনের একাংশ। তবে রাজ্য় সরকার অবশ্য় নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যুক্ত থাকতে পারবেন না সক্রিয় রাজনীতিতে, সিদ্ধান্ত

কলকাতা: এখন থেকে যে শিক্ষকদের নিয়োগ করা হবে, তাঁরা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে শিক্ষক সংগঠনের একাংশ। তবে রাজ্য় সরকার অবশ্য় নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যুক্ত থাকতে পারবেন না সক্রিয় রাজনীতিতে, সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের আজ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, 'আমাদের সরকারের আমলে যত শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হবে, তারা প্রত্য়ক্ষ রাজনীতি করতে পারবে না, আমরা অনুমতি দেব না।' নতুন নিযুক্ত শিক্ষকদের প্রত্য়ক্ষ রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরই ঘোষণা করা হয়েছে, এখন থেকে যে শিক্ষকদের নিয়োগ করা হবে, তাঁরা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। গতকালই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'ভারতের কোনও রাজ্যে শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে থাকেন না। আজকের পর থেকে যে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হবে, তাঁরা অন্যান্য় রাজ্যের মতো প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে, অর্থাৎ পঞ্চায়েত, পুরসভা, লোকসভা, বিধায়সভায় লড়তে পারবেন না। প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। যারা ইতিমধ্যে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন, যে অধিকার তাঁরা পেয়েছেন, সেই অধিকার আমরা খর্ব করছি না।' এই বিষয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'ভারতবর্ষে কোনও রাজনীতি, শিক্ষকরা রাজনীতি করতে পারে না। এই যে ৫ বছর আগে ভুল হয়েছিল। শিক্ষকদের কাজ পড়ানো, শিক্ষকদের কাজ রাজনীতি করা নয়।' রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিরোধীতা এই বিষয়ে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলছেন, 'অন্যান্য রাজ্যের শিক্ষকরা যেহেতু সরাসরি সরকারি কর্মচারী, সেই কারণে তাঁরা রাজনীতি করতে পারেন না। ওনারা যদি সমস্ত সহ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ও কর্মীদের সরকারি কর্মচারী ঘোষণা করেন, ক্যাবিনেট ও বিধানসভায় আইন পাস করে, তাহলে শিক্ষকদের রাজনীতি করা থেকে বিরত করা যাবে। এক শ্রেণীর শিক্ষককে আমি রাজনীতি করতে দেব আর আরেক শ্রেণীর শিক্ষকদের আমি রাজনীতি করতে দেব না, এটা কখনও হয় না। এটা দ্বিচারিতা যেটা সংবিধান অনুমোদিত নয়।' এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে শিক্ষক সংগঠনের একাংশ। রাজ্য় সরকার অবশ্য় এই সিদ্ধান্তে অনড়। রাজ্য সরকারের এই মন্তব্যের বিরোধীতা করেছেন, প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরীও। শিক্ষকরা ক্লাস না করে কেন সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেবেন? কেন ভোটে দাঁড়াবেন? এই প্রশ্নে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। এই আবহে এনিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য় সরকার। আরও পড়ুন: Pousali Banerjee: ফেসবুকে অশ্লীল মন্তব্য! পৌষালীর সাফ জবাব, 'যৌনকর্মী বোনকে বুকে জড়িয়ে কৃষ্ণের গান শোনাব'