Tulu Mondal: আড়ালে থেকেই রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ টুলু, সন্দেহজনক ব্যাগের খোঁজে ব্যবসায়ীর শ্বশুরবাড়িতে পুলিশ
পার্থপ্রতিম ঘোষ, বীরভূম : পুলিশের নাগালের বাইরে থেকে গ্রেফতারিতে রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে টুলু মণ্ডল। হাইকোর্টের দ্বারস্থ বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল ওরফে নাজিবুদ্দিন মণ্ডল। গত বুধবার টুলুর আত্মীয়র বাড়ি থেকে প্রচুর টাকা এবং সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেউচাতে মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে সাড়ে ২৮ কোটি নগদ

পার্থপ্রতিম ঘোষ, বীরভূম : পুলিশের নাগালের বাইরে থেকে গ্রেফতারিতে রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে টুলু মণ্ডল। হাইকোর্টের দ্বারস্থ বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল ওরফে নাজিবুদ্দিন মণ্ডল। গত বুধবার টুলুর আত্মীয়র বাড়ি থেকে প্রচুর টাকা এবং সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেউচাতে মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে সাড়ে ২৮ কোটি নগদ ও ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে। সব মিলিয়ে বাজারমূল্য সাড়ে ৫০ কোটির কাছাকাছি। এরপর থেকে টুলুর একাধিক ডেরায় হানা দিয়ে বিপুল সম্পত্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ। যদিও এখনও টুলু মণ্ডলের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। অন্যদিকে, বীরভূমের স্টোন কিং টুলু মণ্ডলের শ্বশুরবাড়িতে রাজ্য পুলিশের STF- এর টিম পৌঁছে গিয়েছে বুধবার সকালে। পাড়ুইয়ে টুলু মণ্ডলের শ্বশুরবাড়িতে সন্দেহজনক ব্যাগের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। ওই ব্যাগে টাকা থাকতে পারে বলে অনুমান STF-এর। আর সেই জন্যই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে বেঙ্গল পুলিশের এসটিএফ। জেলা পুলিশকে খবর দেয় রাজ্য পুলিশের STF. এরপর SDPO-এর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে ঘটনাস্থলে। রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র‍্যাফও। দড়ি দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে এলাকা। চারপাশের রাস্তা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। দুর্গাপুরে পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে ৪৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার, কীভাবে এল এত টাকা ? কারা রয়েছে এর পিছনে ? শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে টুলুর অন্যান্য আত্মীয়দের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। টুলুর আরও বিপুল সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে, দাবি পুলিশের। ধৃত মিনার মণ্ডল ও টুলুর ২ ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রকাশ্যে এসেছে একাধিক তথ্য, দাবি পুলিশের। সারা বাড়ি জুড়ে চলছে তল্লাশি। টুলু মণ্ডলের শ্যালকেরও খোঁজ করেছে এসটিএফ। তিনি বাড়িতে নেই বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, টুলু মণ্ডলের ধৃত ম্যানেজার নইমুদ্দিন মণ্ডলের ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, টুলু মণ্ডলের জাল DCR কারবার নিয়ে ২০২২ সালেই দু-বার FIR দায়ের হয়েছিল মুরারই ও রামপুরহাট থানায়। অভিযোগ দায়ের করেছিলেন খোদ সরকারি আধিকারিক, BLLRO. কিন্তু তারপরও জাল DCR-এর রমরমা থামেনি। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিতে টুলুর জাল DCR-এর কারবার নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। কিন্তু ৪ বছর আগেই যেখানে জাল DCR নিয়ে পুলিশে FIR দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে এতদিন পুলিশ কী করছিল, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।