Uttar Pradesh News: বিজেপি-র টিকিটে ভোটে লড়তে চেয়ে আবেদন, খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্তের সাজা স্থগিত রাখল আদালত
নয়াদিল্লি: খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত। কিন্তু নির্বাচনে লড়তে চেয়ে আবেদন। সেই আবেদন মঞ্জুর করে দিল আদালত। যাবজ্জীবনের সাজা স্থগিত রাখা হল আপাতত। জীবিকার অধিকারকে অগ্রাধিকার দিতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বিচারপতিরা। বিষয়টি সামনে আসতেই সমালোচনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। (Allahabad High Court) নন

নয়াদিল্লি: খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত। কিন্তু নির্বাচনে লড়তে চেয়ে আবেদন। সেই আবেদন মঞ্জুর করে দিল আদালত। যাবজ্জীবনের সাজা স্থগিত রাখা হল আপাতত। জীবিকার অধিকারকে অগ্রাধিকার দিতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বিচারপতিরা। বিষয়টি সামনে আসতেই সমালোচনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। (Allahabad High Court) নন্দনলাল রাই ওরফে বাবলু রাই নামের এক ব্যক্তি খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। যাবজ্জীবনের সাজা হয়েছে তার। কিন্তু সম্প্রতি আদালতে সাজা স্থগিত রাখার আবেদন জানায় সে। তার যুক্তি ছিল, সামনেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনে হয় নির্দল প্রার্থী অথবা বিজেপি-র প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়ানোর কথা তার। তাই আপাতত সাজা স্থগিত রাখা হোক সাজা। (Uttar Pradesh News) আরও পড়ুন: কেন্দ্রকে সমর্থন ভুল ছিল? এখন আফশোস করছেন জগন রেড্ডিও, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য প্রমোদ কুমার নিগম হত্যাকাণ্ডে নাম জড়ায় নন্দনলালের। ২০১৭ সালে ওই খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয় নন্দনলাল। বারাণসীর একটি আদালতে যাবজ্জীবনের সাজা হয় তার। তার আইনজীবীর যুক্তি ছিল, ‘ভুক্তভোগী’ রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয়। শুধুমাত্র সন্দেহ এবং অনুমানের ভিত্তিতেই মামলায় জড়ানো হয়েছে তাকে। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে নন্দনলাল বিজেপি-র সক্রিয় কর্মী ছিল। ২০২৭ সালের নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করতে আগ্রহী সে। হয় নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়বে, অথবা বিজেপি-র টিকিটে। আরও পড়ুন: হঠাৎ রাজ ঠাকরের কাছে আমির খান, ভাগ্নে ইমরানকে দেশ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ সরকারের, জোর গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত নন্দনলালের আবেদনই মঞ্জুর হয় আদালতে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি সিদ্ধার্থ এবং বিচারপতি বিনয় কুমার দ্বিবেদীর বেঞ্চ তার সাজায় স্থগিতাদেশ দেয়। আদালত বলে, “সাধারণ মানুষের যেমন জীবিকার অধিকার রয়েছে, রাজনীতিবিদদেরর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অধিকার তার চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। সেকথা মাথায় রেখে দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখা প্রয়োজন।” নন্দনলালের সাজা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে গিয়ে আদালত সুপ্রিম কোর্টের আগের কিছু সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে। বিচারপতিরা জানান, অতীতে বিভিন্ন মামলায় জনপ্রতিনিধিদের দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখেছে সর্বোচ্চ আদালত। কারণ নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে জনগণের প্রতি দায়দায়িত্ব থাকে তাঁদের। দণ্ডাদেশ স্থগিত না হলে তাঁরাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ হারাতে পারেন। নন্দনলালের ক্ষেত্রে বিচারপতিদের যুক্তি, “সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনা করে সাজা স্থগিত রাখা উচিত বলে মনে হয়েছে আমাদের।”