Vaibhav Sooryavanshi: ম্য়াচ ও সিরিজ সেরার পুরস্কার ঝুলিতে, জিম্বাবোয়ে সফরে দুরন্ত পারফরম্য়ান্স বৈভবের
হারারে: ইংল্য়ান্ড সিরিজে ৩ ম্য়াচে মাত্র ৪২ রান করেছিলেন। অভিষেক সিরিজে একেবারেই ভাল পারফর্ম করতে পারেনি বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Sooryavanshi )। তবে জিম্বাবোয়ে সফর স্মরণীয় করে রাখলেন বাঁহাতি ভারতীয় ওপেনার। সিরিজে প্রথম ও তৃতীয় ম্য়াচে অর্ধশতরান হাঁকিয়েছে ১৫ বছরের এই কিশোর ব্যাটার। হারারে স্পোর্টস ক্

হারারে: ইংল্য়ান্ড সিরিজে ৩ ম্য়াচে মাত্র ৪২ রান করেছিলেন। অভিষেক সিরিজে একেবারেই ভাল পারফর্ম করতে পারেনি বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Sooryavanshi )। তবে জিম্বাবোয়ে সফর স্মরণীয় করে রাখলেন বাঁহাতি ভারতীয় ওপেনার। সিরিজে প্রথম ও তৃতীয় ম্য়াচে অর্ধশতরান হাঁকিয়েছে ১৫ বছরের এই কিশোর ব্যাটার। হারারে স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবগ্রাউন্ডে খেলতে নেমেছিল ভারত জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্য়াচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে। সেই সিরিজেই অভিষেক শর্মার সঙ্গে প্রত্যেক ম্য়াচেই নেমেছিল বৈভব ওপেনিংয়ে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে অর্ধশতরানের ইনিংস হাঁকিয়েছিল বৈভব। ১৫ বছর ১১৮ দিন বয়সে নজির গড়েছিল সে। জিম্বাবোয়ের দেওয়া ১২৬ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বৈভব মাত্র ১৮ বলে ৫০ রান পূরণ করেন। সে ১৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন, যেখানে তাঁর ইনিংসে ছিল ৪টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা। সেই ম্য়াচে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানির মতো জিম্বাবোয়ের মূল পেসারদের ওপর শুরু থেকেই মারমুখি মেজাজে ব্য়াটিং করেছিল বৈভব। ১ ওভারেই এনগারাভাকে ২টি ছক্কা ও চারের সাহায্যে ১৯ রান হাঁকায় সে। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্য়াচের প্রথম ইনিংসে গতকালের মতোই এবারও ব্যাটিং করে ভারতীয় দল। অবশ্য় আজ শ্রেয়স আইয়ার টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ম্যাচে দুই বদল ঘটিয়ে মাঠে নামে ভারত অশোক শর্মা এবং সূর্যাংশ শেডগে ভারতীয় একাদশে সুযোগ পান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সিরিজ় তৃতীয়বার ব্লেসিং মুজারাবানির বলে অভিষেক শর্মা অল্পরানে সাজঘরে ফিরলেও, স্বমহিমায় চলে বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাট। তিনি যদিও যে ছন্দে এগোচ্ছিলেন, শতরানও পেয়ে যেতেন। রান তাড়া করতে নেমে এদিন ফের একবার প্রথম বলেই উইকেট নেন ময়ঙ্ক যাদব। এরপরে বেন কারান ও ডিয়ন মায়ার্স দেখেশুনে খানিকটা ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে চতুর্থ ওভারে পরপর বলে জোড়া উইকেট নিয়ে মায়ার্স এবং জিম্বাবোয়ে অধিনায়ক সিকান্দর রাজাকে সাজঘরে ফেরত পাঠান যশ ঠাকুর। এরপরে রায়ান বার্ল ও বেন কারান, দুই বাঁ-হাতি ব্যাটার মিলে ইনিংস ৫০ রানের গণ্ডি পার করান। তবে কারানকে ফিরিয়ে ৩১ রানের সেই পার্টনারশিপ ভাঙেন রবি বিষ্ণোই। কারান ফেরার পর বার্ল, মাধিভেরেকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। তাতে রান বাড়ে, তবে রানের গতি খুব বেশি ছিল না, তাই সবসময়ই কাঙ্খিত লক্ষ্যের থেকে পিছিয়ে পড়ছিল জিম্বাবোয়ে। মারুমানিকে আউট করেন ময়ঙ্ক। ভাঙে ৬০ রানের পার্টনারশিপ। এরপরে পালা ছিল মারুমানিকে সাজঘরে ফেরানোর। তাঁকে আউট করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম উইকেট নেন অশোক শর্মা। ৪২ বলে বার্ল ব্যক্তিগত অর্ধশতরান পূরণ করে টিকে থাকলেও ১৫৭ রানেই থামে জিম্বাবোয়ের ইনিংস।