West Bengal Government: তৃণমূল আমলে দুর্নীতির জেরে এবার কি একাধিক উপাচার্য জেলে? জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে তোলপাড়
কলকাতা: তৃণমূল আমলে দুর্নীতির জেরে এবার কি জেলে যাবেন একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য? পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে তোলপাড়। তিনি বললেন, "রাজনীতিমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাই লক্ষ্য। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর জেল যাওয়া দেখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের জেল যাওয়

কলকাতা: তৃণমূল আমলে দুর্নীতির জেরে এবার কি জেলে যাবেন একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য? পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে তোলপাড়। তিনি বললেন, "রাজনীতিমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাই লক্ষ্য। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর জেল যাওয়া দেখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের জেল যাওয়া দেখেননি। দমদম বা প্রেসিডেন্সিতে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে দেখলে অবাক হওয়ার নেই।" (Jagannath Chattopadhyay Exclusive) এবিপি আনন্দকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ। আর সেখানেই জল্পনা উস্কে দিয়েছেন জগন্নাথ। (West Bengal Government) প্রশ্ন: দু'মাসের সময়সীমা পেরোল দায়িত্ব নেওয়ার পর। আপনাদের প্রায়োরিটি কী? উত্তর: প্রায়োরিটি যদি বলেন, তাহলে বিজেপি সরকারের পরিবর্তনের পর, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রথম প্রায়োরিটি হচ্ছে দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা প্রশাসন এবং রাজনীতি মুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা। এই দু'টি কাজ গত ১৫ বছরে এবং তার আগে ৩৪ বছরে যেভাবে উদ্দেশ্য় নিয়ে, পদ্ধতিগত ভাবে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থায় যেভাবে রাজনীতি ঢোকানো হয়েছে, রাজনীতিকরণ হয়েছে...এবং গত ১৫ বছরে মেধাকে বিসর্জন দিয়ে, মেধাহীনতার মধ্যে দুর্নীতির চাষ করা হয়েছে। এই দু'টি বড় কাজ বলে আমাদের মনে হচ্ছে। আপনারা শিক্ষামন্ত্রীর জেল যাওয়া দেখেছেন। এখন তো কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের জেল যাওয়া দেখেননি। ভবিষ্যতে যদি একজন-দু'জন বিশ্ববিদ্য়ালয়ের উপাচার্যকেও যদি দেখেন প্রেসিডেন্সি, দমদমে বা আলিপুরে, অবাক হওয়ার কিছু নেই। ফার্মেসি কলেজ, আইটিআই কলেজ, বিএড কলেজ, পলিটেকনিক কলেজ-বেসরকারিকরণের নামে ডিগ্রির দোকান খোলা হয়েছে গত ১৫ বছরে। আমরা এবার তা নজর রাখছি। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, নতুন বেসরকারি কোনও প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়ার আগে গত ১৫ বছরে যে ধরনের ডিগ্রি বিক্রির দোকানগুলি খোলা হয়েছে, সেগুলির থরো অডিট, ইনস্পেকশন করাব। প্রথমে ৩৪ বছর বামেরা, উত্তম মেধা থেকে মধ্যমেধার চাষ। আর পরের ১৫ বছরে মধ্যমেধা থেকে মেধাহীনতাকে প্রশ্রয় দেওয়া এবং রাজনীতির ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং দুর্বৃত্তায়ন। আরও পড়ুন: ২১ জুলাইয়ের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে আহ্বান কংগ্রেসের, শুভঙ্কর সরকার বললেন, ‘প্রায়শ্চিত্ত হবে...’ প্রশ্ন: আর একটি বিষয় হচ্ছে ছাত্রভোট, দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ। উত্তর: ভোট কিসের? ছাত্রভোট। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকলে তবে তো ছাত্রভোট হবে! আমার কাছে তো প্রথম চ্যালেঞ্জ যে আকর্ষণ রাজ্য পরিচালিত কলেজের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছিল, সেই সব রাজ্য পরিচালিত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ছাত্রছাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা। যখন ছাত্র যথেষ্ট সংখ্য়ায় ফিরতে শুরু করবে, ছাত্রভোট হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ। মুখ দেখাদেখি করে নিয়োগ, এগুলি হবে না। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন অর্থের পাশাপাশি প্রভাব বড় কাজ করেছে। ওই ধরনের প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে, অবজেক্টিভ ওয়েতে শিক্ষক, গবেষক নিয়োগ করাই রাজ্য সরকারের মূল কাজ হবে। তাই এ নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাই না আমরা। সরকার নির্দিষ্ট পলিসি ফ্রেমওয়র্ক তৈরি করছে। কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উচ্চশিক্ষার নিয়োগের ক্ষেত্রে থাকবে না। আরও পড়ুন: নবম-দশমে তৃতীয় ভাষায় পাশ করতেই হবে, নইলে মিলবে না সার্টিফিকেট, জানিয়ে দিল CBSE